বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নবীনগরে মহেশ রোডের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি চলাচলে চরম দুর্ভোগ মেহেরপুর মানুষের সব স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে ব্যাপক ভাবে : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি । নবীনগরে বিটঘর মহেশ রোডের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি চলাচলে চরম দুর্ভোগ ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়কে গ্যাস লাইনে ফাটল, দুর্ঘটনার আতংকে রাস্তায় দীর্ঘ যানজট। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্য, সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তাড়াশ উপজেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ চাকরৌহালী ও কোনাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে ম‍্যানিজিং কমিটি গঠনে ব‍্যাপক অনিয়ম। কালের খবর মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত। কালের খবর নবীনগরে ফুফার হাতে ভাতিজা খুন। কালের খবর সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজে শেখ রাসেল এর জন্মদিনে স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত। কালের খবর ইসলামপুরে ভূমি উপ-সহকারির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ। কালের খবর
লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর দিয়ে পাড়ি ইতালিতে

লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর দিয়ে পাড়ি ইতালিতে

কালের খবর ডেস্ক : জীবন বাঁচাতে লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পাড়ি দিচ্ছেন প্রবাসি বাংলাদেশিরা। এ জন্য তাদের নিতে হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি। বর্তমানে ইতালিতে থাকা নোয়াখালীর গোলাম রাব্বি বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়ার অভিজ্ঞতায় বলেছেন, হয় লিবিয়ায় থাকতে হবে না হয় মরতে হবে। লিবিয়ানরা টাকার জন্য মানুষকে মেরে ফেলে। লিবিয়া থেকে জীবন বাঁচাতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে এসেছি।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা বলছে, লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবিতে অন্তত ৯০ জন ডুবে মারা গেছেন বলেন আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা বলছেন, নিহতদের বেশির ভাগই ছিল পাকিস্তানের নাগারিক।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে সমুদ্র পথে লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য অনেকেই বিপদজনক এই যাত্রা বেছে নেয়। এদের বেশির ভাগেরই গন্তব্য ইতালি। সে পথে বহু বাংলাদেশিও ইতালিতে গিয়েছেন। যাদের মধ্যে নোয়াখালীর বাসিন্দা গোলাম রাব্বি গত বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছেন।
কিভাবে এই ভয়ঙ্কর পথ পাড়ি দিলেন?
বর্তমানে ইতালিতে থাকা মিস্টার রাব্বি বলেন, আমাদের যখন লিবিয়ার লোকেদের কাছে দেয়া হয়েছে তখন লিবিয়ায় ১ সপ্তাহ একটা গুদামের ভেতরে ছিলাম। গুদামের ভেতরে নিন্মমানের খাবার আর সাড়ে ৩’শ মানুষের একটি মাত্র শোচাগার ছিল।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার খবর কিভাবে জানলেন?
তিনি বলেন, লিবিয়াতে থাকার সময় আমাদের সঙ্গে আরো বাঙালি ছিল। এইসব বাঙালিরা ইতালিতে গিয়ে আমাদের ফোন করে বলেছেন কিভাবে গিয়েছে। ওরা যেভাবে গিয়েছে বিষয়টি জানালে আমরা খোঁজ করি। ওরাতো বলেছে, একটি লোকের মাধ্যমে অনেক সহজেই ইতালিতে পৌঁছেছে বাঙালিরা। বাস্তব অভিজ্ঞতা খুবই ভয়াবহ। নিজের চোখে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না এর ভয়াবহতা।
যারা লিবিয়ায় চলে আসে তারা ইচ্ছা করলে চলে ফিরে যেতে পারে না। টাকা দিয়ে লোক কিনে নেয় লিবিয়া। এই টাকার জন্য প্রয়োজনে মানুষকে মেরে ফেলে লিবিয়ানরা তাও ফিরে আসতে দেয় না। লিবিয়া থাকতে হবে না হলে গুলি করে মেরে ফেলে। লিবিয়া থাকা বহু প্রবাসীকে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
গোলাম রাব্বি বলেন, লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার জন্য খরচ হয়েছে ৩ হাজার দিনার যা বাংলাদেশের ১ লাখ ৮০ হাজার। অনেকেই ৫ লাখ টাকা খরচ করেও আসতে পারে না। ২৬ মিটারের একটি নৌকায় সাড়ে ৫শ লোক নিয়ে সকাল সাড়ে ১১টায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে যাত্রা শুরু করেছিলাম। ৯ ঘণ্টা যাওয়ার পর ইতালিয়ান শিপ দেখা যায় অনেক সাহায্য চাই। আমাদের পৌঁছাতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে যায়। মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে ইতালিয়ানদের সাহায্য করতে বলি এবং উদ্ধার করার জন্য। ইতালিয়ানরা ৩ ঘণ্টা দেরিতে উদ্ধার করতে আসে।
ভূমধ্যসাগরের পরিস্থিতি দেখে কেমন লেগেছিল?
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা চিন্তা ছিল হয়তো ইতালি যেতে হবে না হলে মরতে হবে। নৌকাতে মানুষের ওপর মানুষ বসিয়ে ছিল। সব সময় মনের ভেতর ভয় ছিল কখন নৌকাটা ডুবে যায়।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com