শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন। কালের খবর নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে….এমএন আবছার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর ঈদ সহায়তা বিতরণ। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ। কালের খবর পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা : পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ। কালের খবর জেলা পরিষদের কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই : অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। কালের খবর খুচরা জ্বালানি তেলের চারটি পয়েন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেকে কোন ধরনের জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কালের খবর ডেমরায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ। কালের খবর সাজেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিজ উদ্যোগে কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন পাঞ্জাবি । কালের খবর রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার দোয়া মাহফিল ও ইফতার। কালের খবর

Speech Delay কাকে বলা হয়?। কালের খবর

 

Speech Delay কাকে বলা হয়?

ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন, কালের খবর : 

একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় ৫০টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে তার সাধারণ বাক্য বলার যোগ্যাতা অর্জন করবে। তিন-চারটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় কোন শিশু যদি তা না বলতে পারে তাহলে তাকে স্পীচ ডিলের শ্রেনীতে রাখা যেতে পারে। এটি যদিও ভয়ের কারন নয়। তবে কখনও কখনও এটি শ্রবন সমস্যা বা স্নায়ুবিক কারণেও হতে পারে।

কেন সম্পীচ ডিলে হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি শিশুরা জন্মের সময় দেরীতে কাঁদে, তারা দেরীতে কথাও বলতে শুরু করে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিজ হলে বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলে শিশুর শ্রবন শক্তি কমে যেতে পারে। যে শিশুরা ঠিকমত শুনতে পায়না তাদের সব কথা লিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়।

Speech Delay কিভাবে চেনা য়ায়?

১। সাধারনত: ১৮ মাস বয়সের মধ্যে শিশুটি কিছু সহজ কথা বলতে শুরু করে- যেমন, মা-বাবা ইত্যাদি।

২। একটি দুই বছর বয়সী শিশু কমপক্ষে ২৫টি শব্দ ব্যবহার করা শুরু করে। অর্থাৎ যদি শিশু আড়াই বছর বয়সে দুই শব্দের বাক্য না বলে। তিন বছর বয়সে কমপক্ষে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে না পারে।

৩। কোন জিনিসের নাম ধরে না ডাকা বা কিছু জিঙ্গেস করতে চাই না।

৪। গবেষনায় দেখা যায়- প্রতি পাঁচ জন শিশুর মধ্যে একজন শিশু অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কথা বার্তায়

পিছিয়ে থাকে। আচরণ গত সমস্যাও দেখা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে আপনার বা মা-বাবার করনীয় কী?

একে অপরকে অনুসরন করার একটি খেলা খেলতে হবে। এতে শিশুটি কথা বলার সাহস পাবে।

শিশুর সাথে ধীরে ধীরে কথা বলুন। শিশুটি যদি কিছুটা বাক্য বলে তাহলে আপনি তার পূরা বাক্যটি বলে দিন। শিশুর সামনে গুন গুন শব্দ করলেও এতে উপকার হয়। যদি শিশুর সমস্যা পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাহলে শিশুকে সাহায্য করার জন্য দেরী না করে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা উচিৎ।

যোগাযোগ

সিনিয়র কনসালটেন্ট, চিকিৎসক ও অটিজম চিকিৎসক।

ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন। MBA (HRM) MA, DHMS (DHMC)

আর, এইচ, হোম সেন্টার- ৭৪/বি/১, গ্রীনরোড, ফার্মগেট, ঢাকা।

মোবা: ০১৩১০-৫৮০৩০৫

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com