সোমবার, ০৯ মে ২০২২, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সলিমগঞ্জের বাড়াইল মৌজার ৩৩০ দাগের জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকলেও একটি প্রতারক দালাল চক্র গোপনে জমিটি বিক্রি করার পায়তারা করছে। ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সাধারন মানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ’: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এমপির জানাজা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জের মাধবপুরে তরুণীর স্তন ও হাত কেটে দিয়েছে বখাটেরা। কালের খবর নবীনগরে তিন বছর পর কবর থেকে মুক্তিযোদ্ধার লাশ উত্তোলন। কালের খবর কবিগুরুর ১৬১ তম জন্মজয়ন্তীতে ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন আগামীকাল। কালের খবর নবীনগরে ৯৮ শিক্ষা ব্যাচের উদ্যোগে বনাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। কালের খবর নিজাম উদ্দিন হাজারী’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ফেনী বিএমএসএফ’র স্মারকলিপি প্রদান। কালের খবর ‘মাসিক ৩২ লাখ টাকা চাঁদায়’ মহাসড়কে চলছে লেগুনা! বিআইডব্লিউটিএ’র আপত্তি বালু নদে সেতু নির্মাণকাজ ১৮ বছরে তিনবার বন্ধ
পরিত্যাক্ত কোয়ার্টারগুলো অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের আখড়ায় পরিণত

পরিত্যাক্ত কোয়ার্টারগুলো অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের আখড়ায় পরিণত

কালের খবর : নওগাঁর আত্রাই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জন্য নির্মাণকৃত আবাসিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত বিএস কোয়ার্টারগুলো বর্তমানে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।

কোয়ার্টারগুলো দীর্ঘদিন যাবত পরিত্যাক্ত থাকায় বর্তমানে তা অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে উপজেলার সচেতন মহলের দাবী। সেই সাথে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে।

সূত্রে জানা, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে কৃষি বিভাগের বিএস কোয়ার্টার রয়েছে ৮টি। এর মধ্যে ৪ টি একেবারেই জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে।

কোয়ার্টারগুলো মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি বিভাগের বিএসদের (বর্তমানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা) আবাসিক-কাম অফিস হিসেবে ব্যবহার হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা আর ব্যবহার হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্তৃপক্ষের রক্ষণা-বেক্ষণের অভাব এবং কোয়ার্টারগুলো দীর্ঘদিন যাবত অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখার কারণেই বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয়ে নির্মাণ করা সরকারী সম্পদ এখন বেহাত হতে চলেছে। এমন কি এসব ভবনের দরজা-জানালা থেকে শুরু করে ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যাওয়ার নজির রয়েছে। এভাবেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিপুুল পরিমান মূল্যের সরকারী সম্পদ। সেই সাথে এসব পরিত্যাক্ত ভবন এলাকার কতিপয় দুর্বৃত্তদের জন্য এখন অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা, ১৯৬০-৬১ অর্থ বছরে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার এসব ভবন গুলো হতে স্ব স্ব এলাকার প্রয়োজনে প্রথমে সিড গোডাউন বা বীজাগার হিসাবে নির্মাণ করে। ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন ফসলের প্রয়োজনীয় উন্নত বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরনের সুবিধার্থে সীড গোডাউনগুলো সে সময় নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারী সীড গোডাউনগুলো গত ৮০’র দশকে রি-মডেলিং করে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কৃষি বিভাগের ব্লক সুপারভাইজারদের (বর্তমানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা) বসবাসের জন্য রুপান্তরিত করা হয়।

বর্তমানে কোয়ার্টারগুলো বসবাসের অনুপযোগী বলে ব্লক সুপারভাইজাররা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেন। এর পরও কৃষি বিভাগ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। জরুরী ভিত্তিতে পুনরায় সংস্কারের মাধ্যমে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলা হলে প্রতি বছর সরকারি রাজস্ব খাতে আয় বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন। সেই সাথে কৃষকদের কাছাকাছি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের অবস্থান নিশ্চিত হলে কৃষকরাও অনেক উপকৃত হবে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কে এম কাউছার হোসেন বলেন, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি বিএস কোয়ার্টারগুলো পরিত্যাক্ত অবস্থায় যুগ যুগ ধরে পড়ে রয়েছে। আমরা বার বার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com