বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
‘বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের চেষ্টা চলছে’। কালের খবর

‘বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের চেষ্টা চলছে’। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় সম্পূর্ণভাবে কার্যকরের প্রচেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরী কানাডায় পলাতক আছেন। তিনি কানাডার সরকারকে বলেছেন, বাংলাদেশে একটি মামলায় তাকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং কানাডার সরকারের একটা আইন আছে, যেটা হচ্ছে, যে দেশে মৃত্যুদণ্ড থাকে সেখানে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এ রকম কোনো আসামিকে ফেরত পাঠায় না। সেই আবেদনের কারণে খুনি নূর চৌধুরী সেখানে এখন বসবাসরত আছেন। খুনি নূর চৌধুরী কানাডা সরকারের কাছে কী আবেদন করেছিলেন, যার কারণে তাকে কানাডায় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেটি জানতে আমরা দেশটির সরকারের কাছে সেই কাগজপত্রগুলো চেয়েছিলাম। কানাডীয় সরকার জবাব দিয়েছে, তাদের প্রাইভেসি অ্যাক্টে এসব কাগজপত্র দেওয়া যায় না। তখন সেখানে আমরা আইনজীবী নিয়োগ করে আদালতে আবেদন করি। আদালত বলেছেন, এ কাগজপত্রগুলো দেওয়া যাবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এখন অগ্রসর হচ্ছি।

আইনমন্ত্রী বলেন, খুনি রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেছিলেন। সে ব্যাপারে আমরা এখন যে পরিস্থিতি হয়েছে সেটা অবজারভ করছি। এর অগ্রগতির ব্যাপারে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

আনিসুল হক বলেন, পলাতক বাকী তিন খুনির অবস্থান বিষয়ে জানা নেই। তাদের ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে। এ প্রচেষ্টায় সাফল্যে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী।

তিন বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা পাঁচ পলাতক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করতে না পারব ততক্ষণ পর্যন্ত প্রচেষ্টা চলবে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মুত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসির রায় গত ১২ এপ্রিল কার্যকর করা হয়েছে।

এ নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় খুনির ফাঁসি কার্যকর হলো। এর আগে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি খুনি বজলুল হুদা, আর্টিলারি মুহিউদ্দিন, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহারিয়ার রশিদ খান ও ল্যান্সার মহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার ৪৫ বছর, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের মামলার ২৫ বছর এবং উচ্চ আদালতের রায়ে ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকরের ১১ বছর পর গত ৬ এপ্রিল রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হন খুনি মাজেদ। প্রায় ২৩ বছর খুনি মাজেদ ভারতে পালিয়ে ছিলেন বলে স্বীকার করেন।

এখনও বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী ও এ এম রাশেদ চৌধুরী। তারা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত খুনি আজিজ পাশা জিম্বাবুয়েতে ২০০২ সালে মারা যান বলে জানা গেছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মম বর্বরোচিত ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। তখন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com