বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
কালের খবর ডেস্ক :
হাটহাজারীর গল্প : সময়ের পর সময় পেরিয়ে গেলেও এই ভবনের দেয়াল যেন আজও বহন করে অসংখ্য স্মৃতি, ইতিহাস আর গৌরবের গল্প। এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়ের দূরদর্শী চিন্তা ত্যাগ ও উদ্যোগের ফলেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে এবং আজ শতবর্ষ পেরিয়েও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
প্রতিষ্ঠাতার সেই মহৎ উদ্যোগের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। পুরোনো এই ভবনের শ্রেণিকক্ষে বসে পড়ালেখা করেছেন দেশের অনেক গুণী ও কৃতী ব্যক্তিত্ব। তাঁদের পদচারণায় সমৃদ্ধ হয়েছে এই বিদ্যালয়ের ইতিহাস।
আলহামদুলিল্লাহ! আমারও সৌভাগ্য হয়েছে, এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলের এই ভবনের শ্রেণিকক্ষে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করার। এমনকি আমার এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রও ছিল এই ভবনেরই একটি কক্ষে। আরও একটি বিশেষ স্মৃতি হলো_ ২০১৪ সালে এই ভবনেই এসএসসি পরীক্ষায় কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছিল যা আমার জন্য সত্যিই গর্বের এবং স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।
হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয় সবসময়ই ফলাফলের দিক থেকে সেরা ছিল। আগেও ছিল এমনকি আমাদের সময় তো বটেই ধারাবাহিকভাবে গত বছর পর্যন্তও এই প্রতিষ্ঠান তার সাফল্যের ধারা ধরে রেখেছে। এই গৌরবের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান সম্মানিত শিক্ষকদের। যাঁরা আমাদের পড়িয়েছেন তাঁরা শুধু শিক্ষকই ছিলেন না তাঁরা ছিলেন আমাদের অভিভাবক, পথপ্রদর্শক এবং জীবনের দিকনির্দেশনা দেওয়া মানুষ। তাঁদের স্নেহ, শাসন ও আন্তরিকতার কারণেই আমরা আজ যে যার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। এই বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় এটি আমাদের স্মৃতি, আমাদের শিকড় এবং আমাদের গর্বের একটি অংশ। স্কুল প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক এবং এই বিদ্যালয়ের সাথে জড়িয়ে থাকা সকলের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ঐতিহ্য ও গৌরব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এভাবেই বেঁচে থাকুক এই প্রত্যাশা রইল।