বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
ভারতের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জুলাইয়ে , বৈঠক করলেন বিজেপি নেতারা। কালের খবর

ভারতের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জুলাইয়ে , বৈঠক করলেন বিজেপি নেতারা। কালের খবর

অনলাইন ডেস্ক, কালের খবর :

ভারতের রাজ্যসভা নির্বাচন এবং দুই মাস পর হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈঠক করেছেন বিজেপি নেতারা। গতকাল সোমবার চার ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডাসহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এবং বিরোধীরা উভয় পক্ষই ভারতের নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য তাদের নিজস্ব প্রার্থী দাঁড় করানোর পরিকল্পনা করেছে। এই নির্বাচন প্রতিফলিত করবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ১০ জুন রাজ্যসভার ৫৭টি আসনের জন্য মনোনয়ন শুরু হবে। তার দুই মাস পরেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। গতকাল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে বিজেপি নেতারা বৈঠক করেন।

রাজ্যসভার নির্বাচনেরও প্রভাব পড়বে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ওপর। ভারতের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৫ জুলাই। বিরোধীরা এখনো প্রেসিডেন্টের জন্য একটি যৌথ প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি এবং ঐক্যমত্য গড়ে তোলার জন্য বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও বা কেসিআর এবং মহারাষ্ট্রের নেতা শারদ পাওয়ার।

সমস্ত সাংসদ এবং বিধায়কের ভোটের মধ্যে ৪৮.৯ শতাংশ রয়েছে বিজেপি জোটের দখলে। বিরোধী দল ও অন্যান্য দলগুলোর ভোট ৫১.১ শতাংশ। তাদের প্রার্থীকে সমর্থন করার জন্য বিজেপির কেবল ২ শতাংশ সমর্থন দরকার।

ঊড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়কের বিজেডি (বিজু জনতা দল) বা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সমর্থন পেলেই তারা উতরে যাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে।

সূত্র: এনডিটিভি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com