মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জীবননগর-কালীগঞ্জের দেড় কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা চরম দুর্ভোগের এলাকাবাসী। কালের

জীবননগর-কালীগঞ্জের দেড় কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা চরম দুর্ভোগের এলাকাবাসী। কালের

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি, কালের খবর :  চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গ্রামীণ সড়ক জীবননগর-কালীগঞ্জ মহাসড়কের বাঁকা সংযোগ সড়কটির দুরবস্থার কারণে যুগ যুগ ধরে মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে আশপাশের চার গ্রামের মানুষকে বর্ষা মৌসুমে হাঁটুপানি ও শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালুর মধ্যে চলাচল করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে এলাকাবাসীকে ২-৩ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে মূল সড়কে উঠতে হয়।

সরেজমিন দেখা গেছে, বাঁকাপূর্ব পাড়ার খালেক বিশ্বাসের দোকান থেকে জীবননগর-কালীগঞ্জ মহাসড়ক পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তার কিছু অংশ সোলিং ও কিছু অংশ কাঁচা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। এখন বর্ষা মৌসুমে দেড় কিলোমিটার রাস্তার জন্য এলাকাবাসীকে ২-৩ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। যেখানে সেখানে খানাখন্দ হয়ে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে থাকায় দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি রাস্তা নাকি কোনো সরু খাল।
বাঁকা গ্রামের আবদুল গনি, শফিকুল ইসলাম শফিক, ওমর ফারুক ও সবুর খান বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে গিয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তারা বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অনেক জায়গায় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও রহস্যজনক কারণে আমাদের এ রাস্তাটির কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমাদের গ্রামে সব রাজনৈতিক দলেরই ছোট-বড় নেতার অভাব নেই। কিন্তু এলাকার রাস্তাঘাটের কোনো উন্নয়ন তারা করতে পারিনি।
বাঁকা গ্রামটি একটি কৃষিসমৃদ্ধ গ্রাম। এখনো এ গ্রামের ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল হাটবাজরে নিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে কষ্টের শেষ থাকে না। এমন ভোগান্তি থেকে এলাকাবাসী পরিত্রাণ চায়।
এ ব্যাপারে বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদের প্রধান বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে রাস্তাটি উন্নয়নের জন্য এলজিইডি অফিসসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার আলোচনা করেছি। কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি। এটি অনেক বড় রাস্তা। ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ দিয়ে এ রাস্তা করা সম্ভব নয়। রাস্তাটিতে যাতে দ্রুত পিচকরণের কাজ হয় সে ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি হাজী আলী আজগার টগর সাহেব কথা দিয়েছেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, সড়কটি একটি জনগুরুত্বপুর্ণ সড়ক। এটি সংস্কার করা হলে এলাকাবাসীর জীবনমানের উন্নয়ন হবে। তা ছাড়া অনেক দূরত্বও কমে আসবে। আমার জানা মতে এ সড়কের উন্নয়ন কাজ আগামী অর্থবছরের মধ্যে শুরু হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com