রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের অস্তিত্বের তিন স্তম্ভ-ত্যাগের ইতিহাস ও আগামীর রাষ্ট্রচিন্তা। কালের খবর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু। কালের খবর ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ৫৬ সদস্যের মিডিয়া কমিটি ঘোষণা। কালের খবর সবার আগে বাংলাদেশ : এক নদী রক্ত ও অশ্রুর পরে আগামীর এক পশলা স্বপ্ন। কালের খবর মাটিরাঙ্গার গুমতিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের পিতার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। কালের খবর বেগম খালেদা ছিলেন স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। কালের খবর স্বনির্ভরতার অর্থনীতি : শহীদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ। কালের খবর ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর
মাঠে নেমেই ঝলক দেখাচ্ছেন কংগ্রেসের ‘নয়া রশ্মি’ প্রিয়াংকা গান্ধী। কালের খবর

মাঠে নেমেই ঝলক দেখাচ্ছেন কংগ্রেসের ‘নয়া রশ্মি’ প্রিয়াংকা গান্ধী। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক

মাঠে নেমেই ঝলক দেখাচ্ছেন কংগ্রেসের ‘নয়া রশ্মি’ প্রিয়াংকা গান্ধী। উত্তর প্রদেশে পা দিয়েই একের পর এক ইতিহাস সৃষ্টি করছেন। সোমবার প্রথম যোগী রাজ্যে পা রাখেন তিনি।

৪ দিনের সফরের প্রথম দিনই তিনি লক্ষ্ণৌতে কংগ্রেস সভাপতি ভাই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ৩০ কিমি. রোডশো করেন।

এখানেই থেমে থাকেননি প্রিয়াংকা। মে মাসে হওয়া লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রচার কেমন হবে, তা নিয়ে মঙ্গলবার প্রায় সারা রাত ধরে কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সারলেন তিনি। বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ শেষ হয় সেই বৈঠক। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

১৬ ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকের পর প্রিয়াংকা সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে কিভাবে লড়াই করে জিতব, সেটা নিয়ে দলের কর্মীদের ভাবনা কেমন সে বিষয়ে আমি অবগত হওয়ার চেষ্টা করছিলাম।’

এ বৈঠকে প্রিয়াংকা আটটি লোকসভা কেন্দ্রের জেলা সভাপতি এবং কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। যার মধ্যে গান্ধী পরিবারের কেন্দ্র আমেথি ও রায়বেরেলিও ছিল। এ ম্যারাথন বৈঠকটি শুরু হয় মঙ্গলবার দুপুরে। বৈঠক শেষে বলেন প্রিয়াংকা, ‘আমি সংগঠনের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছি, যার মধ্যে অন্যতম এ সংগঠন কিভাবে গঠন হয়েছিল এবং কি কি পরিবর্তন বর্তমানে দরকার।’

রাজনীতিতে প্রথম পা রেখে অভিজ্ঞতা কেমন? এ প্রশ্নের জবাবে গান্ধী পরিবারের উত্তরসূরি বলেন, ‘দারুণ অনুভূতি। আমার জন্য দলের কর্মীরা অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছেন। আমি অনেক কিছু শিখছি।’

সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব দেন প্রিয়াংকা ও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। প্রিয়াংকা এর আগে গত ১৫ বছর ধরে আমেথি ও রায়েবরেলিতে মা ও ভাইয়ের জন্য প্রচারে গেছেন। কিন্তু এবার তিনি নিজেই এ রাজ্যের দায়িত্বে আসলেন। এ বৈঠকে লক্ষ্ণৌ, উন্নাও, মোহনলালগঞ্জ, সুলতানপুর এবং ফতেহপুর কেন্দ্র নিয়েও আলোচনা হয়।

জানা গেছে, বৈঠকে আটটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে ১০-২০ জন করে কর্মী যোগ দিয়েছিলেন। লক্ষ্ণৌতে কংগ্রেস দফতরের পাশের একটি ঘরে এ বৈঠক হয়।

প্রিয়াংকা ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপ্রদেশে রয়েছে ৮০টি আসন।

যে কোনো দল এ রাজ্য থেকে ভালো ফল করলেই কেন্দ্রের মসনদে বসার সুযোগ পাবে। তাই কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার জন্য নতুন নতুন রণকৌশল নিয়ে আসছে। যার মধ্যে ট্রাম্পকার্ড হিসেবে বলা যায় প্রিয়াংকার রাজনীতিতে যোগদান। তার দায়িত্বে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্র বারানসি এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কেন্দ্র গোরক্ষপুর।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com