বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না : মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। কালের খবর মানবাধিকার সংস্থা HRCBM কর্তৃক বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উৎযাপন। কালের খবর রায়পুরায় আড়িয়াল খাঁ নদীর তীর থেকে মাটি কাটায় ৯ জনের কারাদণ্ড ও একজনকে অর্থদন্ড। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় এনসিপি নেত্রীর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর সাংবাদিক সম্মেলন। কালের খবর শৈল্পিক মৌনতা ও ইস্পাতকঠিন নেতৃত্বের এক অনন্য ক্যানভাস: বেগম খালেদা জিয়া। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা। কালের খবর নির্বাচনী দায়িত্বে শৃঙ্খলা-দৃঢ়তা-স্বচ্ছতার বার্তা-চট্টগ্রামে নবাগত ওসিদের উদ্দেশে পুলিশ সুপারের কড়া দিকনির্দেশনা। কালের খবর তারেক পরিষদ মুন্সিগঞ্জ জেলার উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল। কালের খবর গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী : দেশ–বিদেশে দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য জাতির ঐক্য। কালের খবর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের জোরালো আহ্বান : জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। কালের খবর
ভোলার দৌলতখানে কলেজ ছাত্রীর হাত মুখ বেধেঁ ব্লেড দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করছে ৪ যুবক

ভোলার দৌলতখানে কলেজ ছাত্রীর হাত মুখ বেধেঁ ব্লেড দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করছে ৪ যুবক

 

 

 

 

ভোলা প্রতিনিধি,কালের খবর :

ভোলার দৌলতখানে কলেজ ছাত্রীর হাত মুখ বেধেঁ সমস্ত শরীর ব্লেড দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করছে ৪ যুবক। এঘটনার অভিযুক্ত তুহিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় দৌলতখান উপজেলা চরখলিফা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে শিক্ষার্থীটির বাড়িতে ঢুকে তুহিন, জিন্নাহ, পাভেলসহ ৪ জন তার হাত মুখ বেধেঁ ঘরের বাহিরে নিয়ে আসে। এরপর সমস্ত শরীর ব্লেড দিয়ে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে। এসময় মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে ভেবে মেয়েটিকে বাড়ির উঠানে ফেলে পালিয়ে যায় তারা। শারমিনের কাঁতরানো শব্দ শুনে পাশের ঘরের লোকজন এসে শারমিনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হাসপাতালের চিকিৎসারত শারমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে আসা-যাওয়ার পথে তুহিন ও তার বন্ধুরা বিরক্ত করত। মাঝে মধ্যে শারমীনকে হুমকি দিলেও এলাকার প্রভাবশালী হবার কারণে তুহিনের বিরুদ্ধে বিচার দেয়ার সাহস করেনি তার পরিবার। গতকাল রাতে ঘরে ঢুকে তার মুখ বেধেঁ বাড়ির উঠোনে নিয়ে আসে তুহিনসহ তার তিনবন্ধু। এরপর তারা ৪ বন্ধু মিলে চারটি ব্লেড দিয়ে সমস্ত শরীর ক্ষত-বিক্ষত করতে থাকে। এসময় পাভেল, জিন্নাহ মিলে তার দুই পা এর নিচ থেকে দুটি ব্লেড দিয়ে আঘাত করতে থাকে। বুকের নিচ থেকে কোমড় পযর্ন্ত কোপানোর দায়িত্ব নেয় তুহিন। আরেকজন তার মাথায় আঘাত করে।
দৌলতখান থানার ওসি এনায়েত হোসেন মানবজমিনকে জানান, তার পরিবার থেকে এখন পযর্ন্ত কোন অভিযোগ না দিলেও পুলিশ স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনা শুনে প্রধান অভিযুক্ত সন্ত্রাসী তুহিনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হাসপাতালে শারমীনের চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছে পুলিশ। এছাড়া তার পরিবার পুলিশি নিরাপত্তায় রয়েছে বলেও জানান।

কালের খবর -/১৫/৩/১৮

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com