শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাজেক দুর্গম এলাকায় শিয়ালদহ বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক বিতরণ করেন বাঘাইহাট আর্মি জোন। কালের খবর রাঙ্গামাটি সাজেক বৈশাখী ( বিযু) উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। কালের খবর সাজেক শুকনাছড়া এলাকা যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫২.৭১ ঘন ফুট সেগুন কাঠ জব্দ। কালের খবর জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য এলাকা থেকে বিএনপির খাগড়াছড়ির শাহেনা আক্তার আলেচনায়। কালের খবর কালের সাক্ষী হয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী এই ভবন! কালের খবর দেশের আভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের খনিজসম্পদ ব্যবহারের দাবি। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় নিয়ম ভেঙে তেল বিক্রির দায়ে বিশ হাজার টাকা জরিমানা। কালের খবর খাগড়াছড়িতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে তামাক চাষ, কমছে সবজির আবাদ। কালের খবর সাজেকে ঘুরতে আসা টুরিস্ট এর হারানো মোবাইল সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করে মালিককে ফেরত প্রদান। কালের খবর রায়পুরায় মাদকাসক্ত ছেলেকে কারাগারে পাঠাতে অসহায় বৃদ্ধা মায়ের আকুতি। কালের খবর
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা, তিনি জানেনও না! কালের খবর

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা, তিনি জানেনও না! কালের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের খবর :

চট্টগ্রামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইন মামলা করা হয়েছে। চন্দনাইশ থানার মামলা নং-১৩, ২০/০১/২০১৫ইং ধারা-বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ সনের ১৫(১০ এর (ক)। মামলার বাদী কে তাও জানানো হয়নি। তিনি চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানার দোহাজারী পৌরসভার ফুলতলার স্থানীয় মৃত সামশুল হুদার ছেলে কামরুল হুদা। তাকে ৪২ নং আসামি করা হয়েছে। সাংবাদিক কামরুল হুদা চট্টগ্রাম নগরীতে ৪২ বছর যাবৎ অবস্থান করছেন এবং দীর্ঘদিন যাবৎ সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত আছেন। ঈদের সময় ছাড়া তিনি বাড়ীতেও যান না। আজ ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই মো: বিলাল হোসাইন (০১৮১৮-৬২৬৬২৫) ফোন দিয়ে বলেন আমি একটা তথ্যের জন্য ফোন দিয়েছি, ২০১৫ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে যে আপনার নামে মামলা হয়েছিল। কি বলেন, কামরুল হুদা, পিতা সামশুল হুদা এত বড় মামলা হয়েছে ২০১৫ সালে, জামিন-টামিনও নেননি, আচ্ছা ঠিক আছে ভাই। এস আই সাহেব ফোন দেয়ার পর দীর্ঘ আট বছর পর মামলা হয়েছে তা জানতে পারেন বলে জানান সাংবাদিক কামরুল হুদা। তিনি আরো জানান, আমি ঈদের সময় ছাড়া বাড়ী-ঘরেও যাই না। কেন আমার বিরুদ্ধে মামলা, আমি কোন রাজনৈতিক দলও করি না, আমি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। একজন দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এত বড় একটি মিথ্যা মামলা। আইনশৃংখলা বাহিনী জানে না কোন জন অপরাধী কোন জন অপরাধী নয়। মামলা হওয়ার পর নিশ্চয় পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে, তাহলে পুলিশ কি তদন্ত করলো? একজন দেশের চতুর্থ স্তম্ভের ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা হল আট বছর পার তিনি আজ জানতে পারলো। সাংবাদিক কামরুল হুদা জানান, আমরা কি এভাবে মিথ্যার বেড়াজালে বন্দি হয়ে থাকবো? রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন এ দেশের উন্নয়ন চায়, তেমনি এ দেশের সাংবাদিক সমাজও। সাংবাদিকরা দেশের বাইরে নয়। তাহলে সবার মতো সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা বিধানে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। যারা সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে ধারণ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, তাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব আছে এটা কর্মরত সাংবাদিকদের শিকার করতে হবে। হয়তো প্রতিবাদের সময় মানববন্ধন বা সভা-সমাবেশে একসঙ্গে দাঁড়াচ্ছে কিন্তু মনস্তাত্তিকভাবে অনেকেই আন্তরিক নয়। পেশার প্রতি ভালোবাসা না কোনো রকম জীবিকা নির্বাহ যেন তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। কটি মানববন্ধন করে কখনো এ ধরনের ঘটনাকে শেষ ঘটনা হিসেবে দেখা যাবে না। বর্তমানে সাংবাদিকদের মধ্যে একতার অভাব। সবাই ব্যক্তিস্বার্থ, রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে চিন্তা না করে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য কাজ করতে হবে। সব শেষে ঐক্য ছাড়া সাংবাদিক সমাজের কোনো বিকল্প নেই।
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা, তিনি জানেনও না!
চট্টগ্রামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইন মামলা করা হয়েছে। চন্দনাইশ থানার মামলা নং-১৩, ২০/০১/২০১৫ইং ধারা-বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ সনের ১৫(১০ এর (ক)। মামলার বাদী কে তাও জানানো হয়নি। তিনি চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানার দোহাজারী পৌরসভার ফুলতলার স্থানীয় মৃত সামশুল হুদার ছেলে কামরুল হুদা। তাকে ৪২ নং আসামি করা হয়েছে। সাংবাদিক কামরুল হুদা চট্টগ্রাম নগরীতে ৪২ বছর যাবৎ অবস্থান করছেন এবং দীর্ঘদিন যাবৎ সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত আছেন। ঈদের সময় ছাড়া তিনি বাড়ীতেও যান না। আজ ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই মো: বিলাল হোসাইন (০১৮১৮-৬২৬৬২৫) ফোন দিয়ে বলেন আমি একটা তথ্যের জন্য ফোন দিয়েছি, ২০১৫ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে যে আপনার নামে মামলা হয়েছিল। কি বলেন, কামরুল হুদা, পিতা সামশুল হুদা এত বড় মামলা হয়েছে ২০১৫ সালে, জামিন-টামিনও নেননি, আচ্ছা ঠিক আছে ভাই। এস আই সাহেব ফোন দেয়ার পর দীর্ঘ আট বছর পর মামলা হয়েছে তা জানতে পারেন বলে জানান সাংবাদিক কামরুল হুদা। তিনি আরো জানান, আমি ঈদের সময় ছাড়া বাড়ী-ঘরেও যাই না। কেন আমার বিরুদ্ধে মামলা, আমি কোন রাজনৈতিক দলও করি না, আমি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। একজন দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এত বড় একটি মিথ্যা মামলা। আইনশৃংখলা বাহিনী জানে না কোন জন অপরাধী কোন জন অপরাধী নয়। মামলা হওয়ার পর নিশ্চয় পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে, তাহলে পুলিশ কি তদন্ত করলো? একজন দেশের চতুর্থ স্তম্ভের ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা হল আট বছর পার তিনি আজ জানতে পারলো। সাংবাদিক কামরুল হুদা জানান, আমরা কি এভাবে মিথ্যার বেড়াজালে বন্দি হয়ে থাকবো? রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন এ দেশের উন্নয়ন চায়, তেমনি এ দেশের সাংবাদিক সমাজও। সাংবাদিকরা দেশের বাইরে নয়। তাহলে সবার মতো সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা বিধানে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। যারা সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে ধারণ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, তাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব আছে এটা কর্মরত সাংবাদিকদের শিকার করতে হবে। হয়তো প্রতিবাদের সময় মানববন্ধন বা সভা-সমাবেশে একসঙ্গে দাঁড়াচ্ছে কিন্তু মনস্তাত্তিকভাবে অনেকেই আন্তরিক নয়। পেশার প্রতি ভালোবাসা না কোনো রকম জীবিকা নির্বাহ যেন তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। কটি মানববন্ধন করে কখনো এ ধরনের ঘটনাকে শেষ ঘটনা হিসেবে দেখা যাবে না। বর্তমানে সাংবাদিকদের মধ্যে একতার অভাব। সবাই ব্যক্তিস্বার্থ, রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে চিন্তা না করে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য কাজ করতে হবে। সব শেষে ঐক্য ছাড়া সাংবাদিক সমাজের কোনো বিকল্প নেই।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com