সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের সাথে লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ”র মতবিনিময় সভা-সম্পন্ন। কালের খবর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ বিরুদ্ধে কাজ না করেই সরকারি বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ!। কালের খবর স্ত্রীর যৌতুক মামলায়,ব্যাংক কর্মকর্তা রাশেদের শেষ রক্ষা মিলেনি বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কালের খবর নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে কমিটি গঠন, সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক রুবেল। কালের খবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনিয়মের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত। কালের খবর ঘিওরে কৃষকদের মানববন্ধনে নিয়মিত বর্ষা ও জলবায়ু সুবিচারের জোরালো দাবি। কালের খবর বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই চট্টগ্রামের অভূতপূর্ব উন্নয়ন : খোরশেদ আলম সুজন। কালের খবর “ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব এন্ড হিউম্যান রাইটস” এর কেন্দ্রীয় কমিটির চূড়ান্ত প্রার্থিতা গ্রহণ। কালের খবর জগন্নাথপুরে প্রাথমিক শিক্ষক মদপান করে সাজা ভোগ করায় এলাকায় ক্ষোভ। কালের খবর ময়মনসিংহ বিআরটিএ টাকা ছাড়া কাজ করেন না সহকারী পরিচালক এস এম ওয়াজেদ, সেবাগ্রহীতারা অসন্তোষ। কালের খবর
সীতাকুন্ডের গুলিয়াখালি সী-বিচ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাখেলা। কালের খবর

সীতাকুন্ডের গুলিয়াখালি সী-বিচ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাখেলা। কালের খবর

মোঃ আশরাফ উদ্দিন,সীতাকুন্ড,চট্রগ্রাম প্রতিনিধি, কালের খবর :   সাম্প্রতিক কালে অনেক জনপ্রিয় পর্যটন স্থানের নাম হলো গুলিয়াখালি সী-বিচ। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সী-বিচ কক্সবাজার এর শাখা হলো এই গুলিয়াখালি সী-বিচ। চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলায় অবস্থিত এই বিচ।সীতাকুন্ড বাজার থেকে গুলিয়াখালি সী-বিচের দূরত্ব মাত্র ৫কিলোমিটার। মহান সৃষ্টিকর্তার এক অপার সৌন্দর্য এই বিচ।একদিকে দিগন্তজোড়া সাগর জলরাশি আর অন্যদিকে কেওড়া বন এই সাগরকে করেছে অনন্য সুন্দর।কেওড়া বনের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূল লক্ষ করা যায়।এই বন সমুদ্রের অনেকটা ভেতর পর্যন্ত চলে গেছে।এখানে পাওয়া যাবে সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত পরিবেশ। গুলিয়াখালি সৈকতকে ভিন্নতা দিয়েছে সবুজ বিস্তৃত ঘাস। সাগরের পাশে সবুজ ঘাসের উন্মুক্ত প্রান্তর নিশ্চিতভাবেই দর্শনার্থীদের চোখ জুড়ায়।বিচের পাশে পাশে সবুজ ঘাসের এই মাঠে প্রাকৃতিক ভাবেই জেগে উঠেছে আঁকা-বাঁকা নালা।এই সব নালায় জোয়ারের সময় পানিতে ভরে উঠে।চারপাশে সবুজ ঘাস আর তারই পাশে ছোট ছোট নালায় পানি পূর্ণ এই দৃশ্য যে কাউকেই মুগ্ধ করবে।সাগরের এত ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরিবিল পরিবেশের এই সমুদ্র যে কারো কাছে ধরা দিবে ভিন্ন ভাবে।শীতকালে স্বাভাবিক ভাবে এর পানি অনেকাংশে শুকিয়ে যায়।আবার বর্ষাকালে এর পানি সমগ্র স্থান স্পর্শ করে যায়। এই বিচে শীত এবং ববর্ষাকালে ভিড় জমাতে দেখা যায়।অনেক দর্শনার্থী ক্রিকেট, ফুটবল,ভলিবল সহ আরো অনেক ধরনের খেলা খেলতে দেখা যায়।অনেক স্কুল কলেজ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্রমণের জন্য এই বিচে আসতে দেখা যায়।এই বীচ শুধুমাত্র সৌন্দর্যময় এমন টা নয়। দেশের অর্থনৈতিক বিষয়ে অনেকাংশে পরিপূরক এই বীচ।এই বীচে দেখতে পাওয়া যায় নানান ধরনের মাছ।এখানে পাওয়া যায় কাঁকড়া,ইলিশ, মাগুর, চিংড়ি, বোয়াল সহ আরও অনেক ধরনের বাহারি মাছ।যা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্বচ্ছল রাখতে সহায়ক। আবার অনেক ধরনের পেশাদার লোক এই বীচের জন্য আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।যেমন জেলেরা মাছ বিক্রি করে, দোকানীরা দ্রব্য বিক্রি করে,চাষীরা চাষ করে,মাঝিরা নৌকায় দর্শনার্থীদের ঘুরিয়ে। এই গুলিয়াখালি বীচ জনপ্রিয় হয়েছিল ২০১৮ সালে।তারপর এই স্থানের নাম অনুসারে এই বীচের নাম হয় গুলিয়াখালি সী-বীচ।তবে গুলিয়াখালি সি-বীচ আগে এমন জনপ্রিয় ছিল না।তখন এই স্থানটি ছিল এক বিস্তৃত মাঠ।যেখানে রাখালেরা গরু বেধে রাখত আর ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করত।কাঠুরেরা কাঠ কাঠতে আসত।জেলেরা মাঠে জাল রেখে যেত।ছুটির দিনে বালকেরা দল বেধে গোসল করতে আসতো।সম্পূর্ণ এক গ্রামীণ পরিবেশ উপস্থিত ছিল।তবে পৃথিবীর এই কঠিন পরিস্থিতিতে বন্ধ হলো সকল পর্যটন স্থান।দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতিতে তিন বছর আগের সেই মাঠ আবারও তার আপন রূপ ফিরে পেয়েছে।যেখানে দিন রাত ছিল মানুষের সমাগম আর এখন জনমানব শূন্য সেই স্থান।এই বীচের দিকে তাকালে মনে হয় প্রকৃতির কি অপরূপ সৌন্দর্য। দেশের এই সংকটময় সময় কেটে আবার কোন এক সময় সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। দর্শনার্থীরা আবারও প্রকৃতির টানে ফিরে আসবে এই বীচে।আবারও প্রানবন্দ ও সজীব হয়ে উঠবে এই বীচ।আবারও এই সৈকতের জোয়ারের সাথে মানুষের জোয়ার ভেসে বেড়াবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com