শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাঙ্গামাটি সাজেক বৈশাখী ( বিযু) উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। কালের খবর সাজেক শুকনাছড়া এলাকা যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫২.৭১ ঘন ফুট সেগুন কাঠ জব্দ। কালের খবর জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য এলাকা থেকে বিএনপির খাগড়াছড়ির শাহেনা আক্তার আলেচনায়। কালের খবর কালের সাক্ষী হয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী এই ভবন! কালের খবর দেশের আভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের খনিজসম্পদ ব্যবহারের দাবি। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় নিয়ম ভেঙে তেল বিক্রির দায়ে বিশ হাজার টাকা জরিমানা। কালের খবর খাগড়াছড়িতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে তামাক চাষ, কমছে সবজির আবাদ। কালের খবর সাজেকে ঘুরতে আসা টুরিস্ট এর হারানো মোবাইল সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করে মালিককে ফেরত প্রদান। কালের খবর রায়পুরায় মাদকাসক্ত ছেলেকে কারাগারে পাঠাতে অসহায় বৃদ্ধা মায়ের আকুতি। কালের খবর চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন। কালের খবর
চলনবিলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘানি। কালেন খবর

চলনবিলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘানি। কালেন খবর

মোঃ মুন্না হুসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি, কালের খবর : সিরাজগঞ্জ তাড়াশ উপজেলা সহ চলনবিলের সবগুলো উপজেলাতেই কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘানি। ঘানিতে তেল ভাঙ্গানোর পরিবর্তে মানুষ এখন মেশিন নির্ভর হয়ে পড়ার কারণে জীবিকার তাগিদে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন ঘানির কারিগরেরা।

এলাকাবাসীরা জানান, একসময় কাঠের ঘানিতে সরিষা, তিল, নারকেল ভাঙিয়ে তেল উৎপাদন করা হতো। গাছের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি ঘানির মাঝখানে ছিদ্র থাকে। ওই ছিদ্রে মোটা লাঠি সদৃশ একটি কাঠের যন্ত্রাংশ সংযুক্ত থাকে, যার নাম জ্যাট। জ্যাটের ওপর থাকে কাঠের তৈরি মাকড়ি। মাকড়ি জ্যাটকে ঘুরতে সাহায্য করে। জ্যাট ও মাকড়ির সঙ্গে যুক্ত করা হয় জোয়াল। জোয়ালটি গরু, মহিষ অথবা ঘোড়ার কাঁধে দিয়ে হাঁটালে জ্যাট ঘুরে। জ্যাট, জোয়াল ও মাকড়ির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে কাঠের কাতাড়ি। কাতাড়ির ওপর বসে কারিগর তেল উৎপাদন করেন। কারিগর একজন সহকারীকে নিয়ে দিনে ২০ থেকে ২৫ কেজি তিল, সরিষা ও নারকেল মাড়াই করে ১০ থেকে ১২ কেজি তেল উৎপাদন করতে পারেন।
যারা ঘানিতে তেল উৎপাদন করেন তাদের বলা হয় কলু। এখন মানুষ কলুদের দিয়ে তেমন সরিষা, তিল বা নারকেল ভাঙান না। ফলে কলুদের পেশা বিলুপ্তির পথে। সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে কাঠের ঘানি। অচিরেই গ্রামবাংলার এ প্রাচীন পেশা দেখতে হয়তো যেতে হবে জাদুঘরে। তবে তাড়াশ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের কিছু মানুষ কলুর এতিহ্য এখনও ধরে রেখেছেন। তবে ধীরে ধীওে তারাও জীবন-জীবিকার তাগিদে এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন উপজেলার কৃষক তোফায়েল হোসেন বলেন, ঘানি শিল্প বাঙালির আদি ঐতিহ্য। ঘানি শিল্পকে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে আমাদেরই নজর রাখতে হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com