শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের অস্তিত্বের তিন স্তম্ভ-ত্যাগের ইতিহাস ও আগামীর রাষ্ট্রচিন্তা। কালের খবর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু। কালের খবর ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ৫৬ সদস্যের মিডিয়া কমিটি ঘোষণা। কালের খবর সবার আগে বাংলাদেশ : এক নদী রক্ত ও অশ্রুর পরে আগামীর এক পশলা স্বপ্ন। কালের খবর মাটিরাঙ্গার গুমতিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের পিতার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। কালের খবর বেগম খালেদা ছিলেন স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। কালের খবর স্বনির্ভরতার অর্থনীতি : শহীদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ। কালের খবর ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর
নগ্ন করে মা-মেয়েকে রাস্তায় হাঁটাল গ্রামবাসী

নগ্ন করে মা-মেয়েকে রাস্তায় হাঁটাল গ্রামবাসী

কালের খবর ডেস্ক :

ভারতের উত্তর ঝাড়খণ্ড রাজ্যে ডাকিনী বিদ্যাচর্চার অভিযোগে দুই নারীকে হেনস্তা করার দায়ে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৬৫ বছর বয়সী ওই নারী ও তার কন্যাকে নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানো হয়। তাদের মানুষের বিষ্ঠা খেতে বাধ্য করা হয়েছে।
হেনস্তার শিকার কন্যা বলেন, গ্রামবাসী তাদের বিরুদ্ধে রোগ ছড়ানোর অভিযোগ এনেছেন।
ডাকিনী বিদ্যাচর্চার অভিযোগে ভারতে প্রায় নারীদের হেনস্তা কিংবা হত্যার শিকার হতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই হামলার পেছনে কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাস কাজ করছে। কিন্তু কখনও কখনও বিধবা নারীদের তাদের বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত করতে এ হামলা চালানো হয়।
ওই নারী বলেন, বৃহস্পতিবার তার প্রতিবেশীরা হঠাৎ করে তাদের দরজায় জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা বলছেন- আমরা নাকি ডাকিনী বিদ্যাচর্চা করছি।
পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুর পর ওই নারী স্থানীয় হাতুড়ে ডাক্টারের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর জন্য ওই ডাক্টার তাদের দায়ী করেন।
মেয়েটি বলেন, পরের দিন গ্রামবাসী আমাদের শাস্তি দিয়েছে। ডাকিনী বিদ্যাচর্চার কথা আমরা অস্বীকার করার পরও আমাদের জোর করে দাহ করার জায়গা নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লোকজন আমাদের মুখের ওপর মলমূত্র ত্যাগ করে এবং সেগুলো খেতে আমাদের বাধ্য করে।
এর পর তাদের চুল কেটে নগ্ন করে গ্রামজুড়ে হাঁটানো হয়েছে। তখন তাদের পিছু পিছু গ্রামবাসীরাও হাঁটছিলেন।
তারা বলেন, আমরা ব্যাপক ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু কেউ আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেননি।

কালের খবর/২০/২/১৮

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com