শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪, ০২:১৮ অপরাহ্ন
এম আর মাইনউদ্দীন, মাধবদী, নরসিংদী, কালের খবর : মাধবদীর পাইকারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ পাওয়া গেভছে। পাইকারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাশেম এবং পাইকারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন শওকত মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে গতকাল ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১২ঃ৩০ ঘটিকায় বালাপুর নবিন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্কুলের বাহিরে এ সংঘর্ষ ঘটে।
পাইকারচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাশেম সাংবাদিকদের জানান,ফেসবুকের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালাপুরের আলীর ছেলে সোহাগ (২০) আমার এক সমর্থক কে মারধর করে। পরে আমি বিষয়টি মিমাংসার জন্য স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সদস্য করিম মেম্বার কে দায়িত্ব দেই। সাখাওয়াৎ হোসেন শওকত ও আলীর লোকজন স্কুলের অনুষ্ঠানে আমার সমর্থকদের উপর দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
তাদের লোকজন স্কুলের গেটে আঘাত করে এবং ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুর করে আমার লোকজনদের আহত করে। আহতরা হলো দেলোয়ার (৩০),আরিফ (২৭) গ্রাম পুলিশ আরমান (৩২) ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহাদাত (৪৮)। পরে মাধবদী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় । আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে আমি ইটা খোলা বন্ধে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবহিত করার কারণেই তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত।
অন্যদিকে অভিযুক্ত শওকত বলেন, চেয়ারম্যানের অভিযোগ সত্য নয় এবং আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িত নই বরং তিনি ও তার লোকজন আমাদের কে ফাসাতেই এমনটা করতে পারেন বলেই আমাদের ধারণা। চেয়ারম্যানের লোকজনই আমার কারখানায় হামলা চালিয়েছে।
আলী আহম্মেদ বলেন, চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের বাড়ি-ঘরে হামলার প্রস্তুতি নিলে আতঙ্কে আমি ও আমার ছেলে ঘরে অবস্থান করি।
পুলিশ জানায়, দু’পক্ষই শান্ত আছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনা স্থলে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।