মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অতিথি ডটকমের জমকালো ডায়মন্ড সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম। কালের খবর শাহজাদপুরে সরিষা আনতে মাঠে যাচ্ছিলেন হাবিব, হঠাৎ বজ্রপাত। কালের খবর চোর চক্রের তিন সদস্য আটক দুটি মটরসাইকেল উদ্ধার কালের খবর টেকনাফে লক্ষাধিক ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক। কালের খবর একুশের বই মেলায় রাজু আহমেদ মোবারকের ‘সত্য সুন্দরের সন্ধানে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। কালের খবর রাজধানীর ওয়ারী বিভাগে থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার। কালের খবর বাঘারপাড়ায় কৃষকের ৩ লাখ টাকার কলাগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা”। কালের খবর নদীর মাঝখানে গাছ পড়ে নড়াইলের সাথে বসুন্দিয়া-বাঘারপাড়ার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন” সাপাহারে তেঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন। কালের খবর অমর ২১শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফয়জুর রহমান বাদল এমপি । কালের খবর
নারীদের স্তন কেটে বিক্রির নৃশংস ব্যবসা, যত বড় স্তন তত বেশি দাম!। কালের খবর

নারীদের স্তন কেটে বিক্রির নৃশংস ব্যবসা, যত বড় স্তন তত বেশি দাম!। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :-

নারীদের স্তন কেটে নিয়ে তা বিক্রি করে দিতেন এক লোক। কেনিয়ার নাইরোবিতে দুই বছর ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এক অপরাধী।

তার নাম বোনিফেস কিমনিয়ানো। যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো দাম পাওয়া যেত। স্তনগুলোর আকারের উপর নির্ভর করে মূ্ল্য প্রদান করা হতো।
তবে তিনি এখন এ ধরনের অপকর্ম থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এ ঘটনা কেনিয়ার পুরো জাতিকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল।

সংবাদমাধ্যম কেটিএন-কে দেওয়া একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে বোনিফেস কিমনিয়ানো এসব কথা জানান। তিনি যেসব নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তাদের বেশিরভাগই ছিলেন যৌনকর্মী। সম্পর্ক তৈরী করার পর ওই নারীদের স্তন কেটে ফেলতেন তিনি।

কিমনিয়ানো বলেন, আমরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে নারীদের তুলে আনতাম এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের স্তন কেটে নিতাম।

কিমানিয়ানো জানান, তারা বেশিরভাগ অভিযান চালাতেন কোয়েনাঞ্জ স্ট্রিট এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে, যেখানে যৌন কর্মীরা অবাধে চলাফেরা করতেন।

তিনি বলেন, নারীদেরকে স্তন কেটে বিক্রি করার আগে আমরা তাদেরকে ফাঁদে ফেলতাম।

তিনি বলেন, আমরা ‘ফ্লেক্সর’ নামের রাসায়নিক ব্যবহার করে নারীদের ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। এরপর তাদের স্তন কেটে ফেলতাম।

পেশী ব্যথা চিকিত্সার ক্ষেত্রে ‘ফ্লেক্সর’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এর অপব্যবহার করা হয় তবে মাথা ঘোরা এবং সংজ্ঞানাশ হতে পারে।

তিনি বলেন, কিছু লোক ছিল আমাদের নির্দেশদাতা। তাদের মতে, এটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। আমাদের কাজ ছিল কেবল স্তন সংগ্রহ করা এবং ‘বডি ব্রোকার’দের কাছে সেগুলো পৌঁছে দেওয়া।

কিমানিয়ানো জানান, স্তনগুলো আকার অনুযায়ী স্থানীয় মুদ্রায় ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজারে বিক্রি করা হতো।

তিনি বলেন, যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো হতো আমাদের জন্য। আকারের উপর নির্ভর করে আমাদেরকে মূ্ল্য প্রদান করা হতো।

কিমানিয়ানো স্বীকার করেন যে, ওই কাজ করে তাদের উপার্জন ভালই ছিল। কিন্তু তিনি নিজের হাতে নারীদের ওই কষ্টভোগ দেখে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তিনি ওই কাজ করেছিলেন ড্রাগের খপ্পরে পড়ে।

তিনি বলেন, ‘ব্লু মার্সিডিজ ড্রাগস’ বা ‘রেড ডেভিলস পিলস’ গ্রহণ করার পরে আপনি যেকোনো কিছু করতে পারেন(এই ড্রাগস বোধশক্তি নষ্ট করে ফেলে)।

তবে কয়েক মাস পরে ওই গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। মানবদেহের গোপনাঙ্গসহ বিভিন্ন অংশ প্রধান হাসপাতগুলোতে বিক্রির অপরাধে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এরপর থেকে ওই বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি জানান, আমার সঙ্গীদের বেশিরভাগই ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হয়েছে। নগরের একটি হাসপাতালে মানবদেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিক্রি হচ্ছে-এমন একটি খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্র : স্ট্যান্ডার্ড ডিজিটাল

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com