বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি, কালের খবর :
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উত্তর সাইনবোর্ড বাসস্ট্যান্ডে মসজিদে রাসুল (সা:) জামে মসজিদের টয়লেট দখলে নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করায়, চাঁদাবাজদের আটক করে গণধোলাই দিয়েছে মসজিদের মুসল্লী ও এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, গত ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের পর লেবার পার্টির চাঁদাবাজ-দখলদার গোলাম আজম, জামাতের রোকন পরিচয় দানকারী চাঁদাবাজ-দখলদার আহমদ আল ইরফান, ইমরান খান, আশরাফ পঠান, আশরাফ জান্নাতগংরা মসজিদের টয়লেট দখলে নিয়েই ক্ষান্ত হননি। তারা মসজিদ ও মসজিদের সামনের জায়গাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ ঘটিকার সময় জামায়াতের রোকন চাঁদাবাজ-দখলদার আহমদ আল ইরফান, লেবার পার্টির চাঁদাবাজ-দখলদার গোলাম আজম ২০-২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ গ্রুপ নিয়ে মসজিদের সহকারী মোয়াজ্জিন ও খাদেম মাওলানা মোঃ সিদ্দিক হাওলাদারের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় হামলাকারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ-দখলদার চক্র খাদেমের থাকার রুমের তালা ভেঙে তার ব্যবহৃত ৩০ হাজার টাকা দামের স্যামসাং ব্র্যান্ডের একটি মোবাইল, মসজিদের নির্মাণ কাজের ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য মালামাল সহ মসজিদের বিভিন্ন মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়। এবং চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীরা মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দদেরকে বিভিন্ন ভাষায় গালাগাল করে মসজিদ ছেড়ে যাওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে।

এদিকে জামায়াতের রোকন-চাঁদাবাজ আহমদ আল ইরফান, ইমরান আহমদ, আশরাফ পাঠান, আশরাফ জান্নাত ও লেবার পার্টির চাঁদাবাজ গোলাম আজমদের নিয়োগ কৃত আবুল হোসেন রানা ওরফে টোকাই রানাকে দিয়ে তারা চাঁদা উত্তোলন করতো। এবিষয়ে টোকাই রানাকে জিজ্ঞসা করলে রানা বলেন, চাঁদাবাজ-দখলদার আহমদ আল ইরফান, ইমরান আহমদ, আশরাফ পাঠান, আশরাফ জান্নাত ও লেবার পার্টির চাঁদাবাজ-দখলদার গোলাম আযম গংরা চাঁদা উত্তোলনের জন্য তাকে ১০হাজার টাকা বেতনে চাকরি দিয়েছেন।
এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ জুম্মা এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা মসজিদের সামনে জড়ো হয়ে টয়লেট দাখলকারী চাঁদাবাজ চক্রের সহযোগী আবুল হোসেন রানা প্রকাশ টোকাই রানাকে ধরে গণধোলাই দেয়। এ সময় মসজিদ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট সমাজসেবক নুর হোসেন নুরু ভূঁইয়া ও মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ, এলাকাবাসী ও মুসল্লিদেরকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এলাকাবাসী ও মসজিদের মুসুল্লিরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, ধর্মীয় ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনা দখলের চেষ্টা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।