শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ : আহ্বায়ক শাহিন সদস্য সচিব তুষার। কালের খবর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন সেনাবাহিনীর। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর
মাদ্রাসা শিক্ষকের নৃশংসতায় ছাত্রের জীবন শেষ। কালের খবর

মাদ্রাসা শিক্ষকের নৃশংসতায় ছাত্রের জীবন শেষ। কালের খবর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি, কালের খবর  : পটুয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগে এক ছাত্রকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষক। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট বায়তুল আহাদ আকন বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশু সুমন চৌকিদারকে (১৩) নৃশংসভাবে পেটান শিক্ষক আহসান উল্লাহ। গুরুতর অবস্থায় সুমনকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে বরিশালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক আহসান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় সুমনের মা মোসা. রেহেনা বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সুমনের মা জানান, অনেক কষ্টে সুমনকে হেতালিয়া বাঁধঘাট বায়তুল আহাদ আকন বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আহসান উল্লাহর দুই হাজার টাকা খোয়া যায়। এ ঘটনায় তিনি সুমনকে সন্দেহ করে তার রুমে ডেকে নিয়ে বেত্রাঘাত করেন। সুমনকে পেটানোর এক পর্যায়ে বেত ভেঙে গেলে লোহার রড এনে পুনরায় পেটানো শুরু করেন। এ সময় সুমন চিৎকার শুরু করলে শিক্ষক অন্য ছাত্রদের চেঁচিয়ে শব্দ করে পড়ার নির্দেশ দেন। সুমনের কান্নার শব্দ বাইরে যাওয়ার আশঙ্কায় তার মুখে কসটেপ লাগিয়ে তৃতীয় দফা পেটান। পিটুনি শেষে সুমনকে কাপড় দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি কক্ষে আটকে রেখে শিক্ষক আহসান তার মৃত দাদীর জানাজায় অংশ নিতে সদর উপজেলায় আউলিয়াপুরে যায়।

ঘটনার দেড় ঘণ্টা পরে সুমনের সহপাঠী ও ফুফাত ভাই আকাশ পালিয়ে সুমনের পরিবারকে জানায়। খবর পেয়ে সুমনের পরিবার সুমনকে উদ্ধার করতে আসলে শিক্ষকের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় সুমনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, সুমনের সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন এবং রক্তাক্ত দাগ আছে। হাসপাতালের ডাক্তার সেলিম মাতব্বর জানান, সুমনের শরীরে মাংসের ভিতরেও অনেক আঘাত লেগেছে। সুস্থ হতে সময় লাগবে।

শিশুটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় শুক্রবার বিকেলে তাকে পটুয়াখালী হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com