মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে এবারও বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর প্রথম ধাপের ১৬১ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ। কালের খবর যশোরে গ্রাম ডাক্তার কল্যান সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হট্টগোল : মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর রাগ উগড়ে দিলেন এমপি মনু। কালের খবর বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাত্রনেতা শাহাজুল আলমের ৪৬তম মৃত্যার্ষিকী। কালের খবর মানিকগঞ্জে ব্যবসায়ীকে মারধর, দোকানপাট বন্ধ রেখে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ। কালের খবর পুলিশ চাইলে সব পারে- দুই ঘন্টায় হারানো মোবাইলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধার। কালের খবর সখীপুরে টিনের বেড়া কেটে দোকানের মালামাল লুট। কালের খবর অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে অনুষ্ঠান বর্জন সাংবাদিকদের। কালের খবর সিরাজগঞ্জে চলনবিলে শামুক-ঝিনুক নিধন করছে অসৎ ব‍্যবসায়ীরা। কালের খবর।
নির্বাচনী সহিংসতা হচ্ছে প্রতিদিনই : কি করছে নির্বাচন কমিশন ? কালের খবর

নির্বাচনী সহিংসতা হচ্ছে প্রতিদিনই : কি করছে নির্বাচন কমিশন ? কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :

বাংলাদেশে ৩০শে জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারাভিযান শুরু হবার প্রায় সাথে সাথেই প্রায় প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ওপর প্রতিপক্ষের হামলার খবর।

এর মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নরসিংদীতে মঈন খান, ঢাকায় মির্জা আব্বাস, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের নজরুল ইসলাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন নেতার প্রচার মিছিল বা গাড়িবহরে হামলার খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতা বা নির্বাচনী কর্মকান্ড আক্রান্ত হবার ঘটনা ঘটেছে নড়াইল, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় – এমন খবরও বেরিয়েছে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে।

একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার ইতিমধ্যেই বলেছেন, মনে হচ্ছে পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, এসব ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে নির্বাচন কমিশন।

“পুলিশকে এ নিয়ে কড়া নির্দেশ দেয়া হচ্ছে, দু-এক জায়গায় কিছু বদলি-টদলিও আমরা করেছি। আশা করছি ইনশাল্লাহ দু-একদিনের মধ্যেই এর একটা সমাধান হযে যাবে।” বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন মি. চৌধুরী।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াৎ হোসেন বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, “১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত যে কয়টি নির্বাচন হয়েছে – এর মধ্যে এ ধরণের ঘটনা ঘটেনি।”

“সিইসিকে দেখলাম যে তিনি দু:খ প্রকাশ করে কিছু কথা বলেছেন, মর্মাহত হয়েছেন, বিব্রত হয়েছেন। তাতে মনে হচ্ছে যে পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে” – বলেন তিনি।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন এসব হামলার ব্যাপারে কি করছে? কি ব্যবস্থা নিচ্ছে?

সবশেষ নোয়াখালী-১ আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন গুলিবিদ্ধ হন। এর আগে শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গাড়ি বহরে এবং তারও আগে নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মিছিলের ওপর হামলা হয়।

নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী স্বীকার করেন যে সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে তারা রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন – কিন্তু তার পরও নির্বাচনী প্রচারের উত্তেজনায় কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচনী বিরোধ বা নির্বাচনী সহিংসতা – এগুলো নিরসনকল্পে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যারা আছেন – তারা ব্যবস্থা নেন। অভিযোগগুলোর ব্যাপারে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি আছে – যাতে জেলা জজদের মতো বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তারা আছেন। কোন অভিযোগের কথা সেখানে কেউ ‘রেফার’ করলে তার তদন্ত হবে এবং তার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।”

কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে কি সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নেয়া হয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এ ব্যাপারে প্রক্রিয়ার কথাই তুলে ধরেন।

“কোন ঘটনার তদন্ত না করে তো কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে না” – বলেন তিনি।

আমি এ নিয়ে কোন নেতিবাচক চিন্তা করতে চাই না। আমার বিশ্বাস এটা প্রশমিত হয়ে যাবে – বলেন নির্বাচন কমিশনার।

সূত্র- বিবিসি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com