শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই যশোরের অধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় আবারও ধুম পরেছে পাট ধোয়ার। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় মহেশরৌহালী সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে দূরর্নীতির আভিযোগ উঠেছে। কালের খবর গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালালেন যৌণ হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সবুর মাষ্টার। কালের খবর পদ্মা সেতুর প্রভাবে যশোরে বিমান যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ। কালেন খবর জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান, আট শত শিক্ষার্থীর জন্য ৫ শিক্ষক। কালের খবর বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কোন অপশক্তি মুছে ফেলতে পারবেনা : এম এ সালাম। কালের খবর সাভারে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। কালের খবর নেপালের কাঠমান্ডুতে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিলেন সাংবাদিক এম আই ফারুক আহমেদ। কালের খবর দিঘলিয়ার সেনহাটী মহা শ্মশান ঘাট রক্ষায় স্থানীয় এমপি’র পদক্ষেপ। কালের খবর
বাঞ্ছারামপুরে অপহরণ মামলার আসামি রাছেলকে অর্থের স্বার্থে ছেড়ে দিলো এসআই মনিরুল । কালের খবর

বাঞ্ছারামপুরে অপহরণ মামলার আসামি রাছেলকে অর্থের স্বার্থে ছেড়ে দিলো এসআই মনিরুল । কালের খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, কালের খবর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী অপহরণের ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে আসামিকে আটকের পর মাঝপথে এসে তাকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এছাড়া থানায় অভিযোগ করায় আসামিদের হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে এলাকা ছাড়া মামলার বাদী স্কুলছাত্রীর মা শায়েস্তারা বেগম।

এ ঘটনায় পরদিন মেয়ের মা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাঞ্ছারামপুর থানার এসআই মনিরুল ইসলাম গত শুক্রবার রাতে বিষ্ণুরামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে অভিযুক্ত রায়হানের বড়ভাই রাছেল আহাম্মদকে আটক করে। অভিযোগে রাছেল আহম্মদের নাম থাকা সত্ত্বেও তাকে আটকের পর গাড়িতে তুলে থানায় না এনে পথের মধ্যে সমঝোতা করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এসআইয়ের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে বাদী ছাত্রীর মা বলেন, আমি থানায় একটা মামলা জমা দিছি। পরে থানার মনির দারোগা শুক্রবার রাতে আমার মামলার আসামি রাছেলকে তার বাড়ি থেকে আটক করে রাস্তায় নিয়ে ছেড়ে দেয়। আমার মেয়েকে ওরা (অপহরণকারী) মেরে ফেলেছে নাকি জীবিত রাখছে, কোনো কিছুই বলতে পারছি না। আসামিদের ভয়ে আমি এলাকা ছাড়া। বাড়ি যেতে পারছি না। পুলিশ আসামিদের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, অপহরণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার রাতে প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়েছিলাম। এসময় তার বড়ভাই রাছেল আমাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন। তাকে আমরা আটক করিনি, তবে তাকে চাপ দিয়েছি মেয়েটাকে উদ্ধার করে দিতে। এখন সে ঢাকায় আছে। যেহেতু তাকে আটক করিনি তাই ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্ন আসে কীভাবে।

অভিযোগে রাছেলের নাম রয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগে তার নাম আছে এটা সত্য; তবে ঢাকা থেকে সে নিয়মিত আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহাম্মেদ জানান, অভিযোগ পেয়ে এসআই মনিরকে পাঠিয়েছিলাম। তবে কাউকে আটক করে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com