বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সখীপুরে যমুনা ইলেকট্রনিক্সের শো-রুম উদ্বোধন। কালের খবর কুমিল্লায় নৌকার কাণ্ডারি হলেন শীর্ষ মাদক কারবারি আরফানুল হক রিফাত। কালের খবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে বসতঘর পোড়ানোর অভিযোগ। কালের খবর নবীনগরের সলিমগঞ্জ বাজারের সভাপতি এস এম বাদলের বাড়ি থেকে চোরাই মোটরসাইকেল সহ ৪ চোরাকারবারি আটক। কালের খবর ভুয়া ট্রাভেলস এজেন্সির নতুন প্রতারণা। কালের খবর মাদারীপুরের টেকেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় দাদা-নাতি নিহত, গুরুতর আহত ১। কালের খবর ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে আশুতোষ-দিদার-সরোয়ার। কালের খবর বাস যাত্রীদের প্রাণ বাঁচানো সেই ট্রাফিক পুলিশদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। কালের খবর ড.ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। কালের খবর ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সাধারন মানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ’: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। কালের খবর
ভিটেমাটি বাচাতে অসহায় কজলির আর্তনাদ। কালের খবর

ভিটেমাটি বাচাতে অসহায় কজলির আর্তনাদ। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :

নাটোর বাগাতিপাড়া উপজেলার কৈ পুকুর গ্রামের জমসেদের স্ত্রী কজলি বেগমের আর্তনাদ কার কাছে গিয়ে পাব সঠিক বিচার, এই দেশে কি কেও নেই যার কাছে গিয়ে আমি আমার বাবার দেয়া শেষ সম্বল ভিটেমাটি টুকু বাচাতে পারি এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন কাজলি বেগম।জানা যাই মৃত হারান আলির চার মেয়ে ছেলে নাই মেয়েদের মধ্যে কাজলি বেগম দ্বিতীয়।

হারান আলির মৃত্যুর পরে ১১শতাংশ ভিটেমাটির উপর ছোট ছোট দুইটি খড়রের ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছিলেন হারান আলির মেয়ে কজলি।কিন্তু বিপত্তি ঘটে ভিটেমাটি টুকু না বিক্রি করতে চাওয়াতে।কজলি বেগম বলেন পাশের বাড়িটা সাবেক মেম্বার গফুরের সে গত ছয় সাত বছর যাবত আমার বাবার ভিটেমাটি টুকু বিক্রি করার জন্য চাপ দিয়ে আসছে এতে আমি রাজি না হলে ২০১৫ সালে আমাকে ও আমার স্বামীর উপরে কঠোর নির্যাতন চালাই গফুর । পরে এলাকা বাসি উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে আমরা দশ দিন চিকিৎসা করার পরে বাগাতিপাড়া থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ আমাদের আভিযোগ না নিয়ে থানা থেকে বের করে দেই পরে আমরা কোর্টে মামলা করি যেটা চলমান আছে।এর পর ২০১৮ সালে আমার বাড়ি ভাংচুর করে বাড়ির ভিতরে একটি খড়ের ঘর তৈরি করে গফুর এবং ইটের খামাল তৈরি করে আমার চলা চলের রাস্তা বন্ধ করে দেই।যার ফলে আমাদের একমাত্র উপার্জন ক্ষেত্র ভ্যানটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন আমার স্বামি জমসেদ।

আমি স্থানীয় জন প্রতিনিধি দের নিকট বিচার প্রাথী হলে ০৩,০৩,১৯ তারিখে সালিশি বৈঠকে বসা হয়,সালিশি বৈঠকে গফুর কে ২/১ দিনের মধ্যে ইট এবং খড়ের ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হলে এতে প্রথমে গফুর রাজি হলেও কিছুক্ষণ পরে ক্ষিপ্ত হয়ে সালিশিগন কে অকথ্য ভাষাই গালি গালাজ করে সালিশি স্থান ত্যাগ করে । এরপর সালিশিগন ৫০ জনের সাক্ষর সহ একটি সালিশ নামা প্রদান করে যেটাই লিখা আছে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় বার বার কাজলি এবং তার ওয়ারিশ গণের উপরে বিভিন্ন হয়রানি এবং অত্যাচার করে আসছে গফুর । আমরা গ্রামবাসি এবং এলাকাবাসী বার বার চেষ্টা করেও স্থায়ী সমাধান করতে পারি নাই । এলাকাবাসীর দাবি বিষয়গুলোর সুষ্ঠ সমাধান করে অসহায় গরীব মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

এই বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় লাবু মেম্বারের সাথে তিনি এই প্রতিবেদকে জানান, গফুর একজন লোভী ও চালাক প্রকৃতির লোক তাকে নিয়ে আমরা অনেক বার স্থানীয় ভাবে বসার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি কিছু দিন আগেও সালিশি বৈঠকে বসে তাকে ইট ও খড়ের ঘর সরিয়ে নেওয়ার রাই দিলে সে সালিশিগন কে অকথ্য ভাষাই গালি গালাজ দিয়ে বলে, আমার কেও কিছু করতে পারবে না পারলে কেউ কিছু করবে একথা বলে চলে যাই । তাই আমরা অপারক আমাদের কিছু করার নাই বলে জানাই লাবু মেম্বার , সেই সাথে কজলি সুষ্ঠু বিচার পাবেন বলেও আশা করেন তিনি ।এ বিষয়ে জামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুসের সাথ ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,অভিযুক্ত গফুর( সবেক মেম্বার) একজন বদমেজাজী এবং খারাপ লোক।আমরা ইতিপূর্বে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বসে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করলে গফুর মেম্বার আমাদের বিচার ব্যাবস্থা প্রত্যাখ্যান করেন,এবং এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। আমি অনুরোধ করবো গফুর মেম্বারের উপর যেন আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করে অসহায় কাজলির বসত ভিটা ফেরত দেওয়া হয়।এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত গফুরের সাথে আলাপ করলে তিনি এই প্রতিবেদকের উপর রেগে গিয়ে মারমুখি আচরন করেন এবং বলেন,আমি সাবেক মেম্বার, আমার কেউ কিছু করতে পারবেনা যা পারলে কিছু করে নে।তোর মত কত সাংবাদিক কে দেখলাম। বাগাতিপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ থাকার কারনে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com