শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী : দেশ–বিদেশে দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য জাতির ঐক্য। কালের খবর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের জোরালো আহ্বান : জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। কালের খবর মানচিত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া : একটি আপসহীন উপাখ্যান ও কোটি জনতার প্রার্থনা। কালের খবর ডেমরার সাইনবোর্ডে মসজিদে রাসুল (সা:) জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ৬৬নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর নবীনগরে ওসি শাহিনুর ইসলামের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। কালের খবর “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর বার বার সংবাদ প্রকাশের পরও কর্মহীন কর্মচারীর বদলীতে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা নেই। মাটিরাঙ্গায় সেনা অভিযানে ইউপিডিএফের সহকারী কালেক্টর গ্রেফতার। কালের খবর বিএফইউজে’র কাউন্সিল ২০২৫: সাংবাদিকতার উপর চাপ বন্ধ না হলে গণতন্ত্র সংকটে—বিএনপি, জামায়াত ও পেশাজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি। কালের খবর লোগাং জোন কর্তৃক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচী ও আর্থিক অনুদান প্রধান। কালের খবর
যৌনপল্লী থেকে আদালতের বিচারক। কালের খবর

যৌনপল্লী থেকে আদালতের বিচারক। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :

বয়স মাত্র ২৭ বছর। জৈবিদ দিক দিয়ে তিনি রূপান্তরকামী।
মা ছিলেন যৌনকর্মী। বড় হয়েছেন যৌনপল্লীতে। এজন্য কটু কথা শোনা ছিল নিত্য-নৈমত্তিক ব্যাপার। কিন্তু হাল ছাড়েননি সিন্টু বাগুই। রূপান্তরকামীদের আন্দোলনে জড়িয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পরের দিন রূপান্তরকামী এই সিন্টু এবার ওপার বাংলার শ্রীরামপুর ‘লোক আদালতের’ বিচারকের আসনে বসলেন। যৌনকর্মীর সন্তান‌ এবং রূপান্তরকামী হিসেবে সম্ভবত তিনি প্রথম এই দায়িত্ব পালনের গৌরব অর্জন করেছেন।
আদালতে জমে থাকা কিছু মামলা বা লঘু অপরাধ এবং মামলার পূর্বাবস্থায় থাকা বিষয়ের নিষ্পত্তি হয় লোক আদালতে। এই আদালতে সাবেক কিংবা বর্তমান বিচারপতি, আইনজীবী কিংবা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন।

হুগলি জেলার চার মহকুমায় লোক আদালত বসেছিল। সম্প্রতি হুগলি জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের (ডালসা) পক্ষ থেকে সমাজকর্মী হিসেবে সিন্টুকে বিচারকের আসনে বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
শ্রীরামপুরে লোক আদালতের পাঁচটি বেঞ্চ বসেছিল। তার একটিতেই অন্যতম বিচারক ছিলেন সিন্টু। দেড় বছর আগে এখানেই লোক আদালতের বিচারক ছিলেন রূপান্তরকামী শ্যাম ঘোষ। শনিবার সিন্টুর সঙ্গে ছিলেন ‘ডালসা’র সচিব অনির্বাণ রায় ও আইনজীবী অংশুমান চক্রবর্তী। অনির্বাণ রায় জানান, সিন্টুর বেঞ্চে বিএসএনএল সংক্রান্ত প্রায় আড়াইশ বিষয়ের বেশির ভাগই নিষ্পত্তি হয়েছে। সিন্টু অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিন্টু জানান, ১০ বছর বয়স থেকে তার মধ্যে মেয়েলি ভাব প্রকট হতে থাকে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার পরে জড়ান রূপান্তরকামী আন্দোলনে। তার কথায়, ‘আন্দোলনের সূত্রে অনেক জায়গায় যেতে হয়। নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরি। এক সময় টিপ্পনী করতেন, এমন অনেকেই আজ উৎসাহ দেন। বাড়ির পরিবেশও সহজ হয়ে গেছে। আমার সাফল্যে বাড়ির সবাই খুশি। দিদি নিজে আমাকে শাড়ি পড়িয়ে দেয়। মা বেঁচে থাকলে খুশি হতেন। যৌনকর্মীর সন্তান হিসেবে পরিচয় দিতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠা হয় না। যৌনকর্মীদের ভালমন্দ নিয়ে কাজ করি। এই পেশাকে সম্মান, শ্রদ্ধা করি। ‘

-সূত্র : আনন্দবাজার

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com