শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার দোয়া মাহফিল ও ইফতার। কালের খবর সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যে জাতীয় জোট এ্যাবজা পুনর্গঠনের উদ্যোগ। কালের খবর পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথিত পাহাড়িদের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পিসিএনপির সংবাদ সম্মেলন। কালের খবর লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার। কালের খবর দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর ৭ মার্চের কারাবাস : একটি রাত, একটি রাষ্ট্র, এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি। কালের খবর ইরান–আমেরিকা সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যের আগুন কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে?। কালের খবর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আইনি সমীকরণর : ব্যারিস্টার মীর হেলালের নিয়োগ কেন সাংবিধানিক ও সময়োপযোগী চয়ন। কালের খবর চড়ুই বাতি সংগঠনের উদ্যোগে ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে। কালের খবর রাঙ্গামাটি সাজেক জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট প্রতি লিটারে বেড়েছে ২/৩ টাকা। কালের খবর
উচ্ছেদ আতঙ্কে টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা। কালের খবর

উচ্ছেদ আতঙ্কে টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা। কালের খবর

টাঙ্গাইল থেকে আবু সাইদ, কালের খবর :

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ে গারো ও কোচসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যরা বসবাস করলেও ভূমির অধিকার না পাওয়ায় উচ্ছেদ আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের। সম্প্রতি ইকো ট্যুরিজম প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসায় নতুন করে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। সমস্যা সমাধানে ভূমির মালিকানা বা দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা। ভূমির অধিকার না পাওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনের হাজার-হাজার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিবাসী।
দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম হলেও কোনো কাজ না হওয়ায় উচ্ছেদ আতঙ্কে রয়েছেন তারা। তিন বছর আগে মধুপুর গড়ের বিশাল এলাকা সরকার সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করায় এবং সম্প্রতি ইকো ট্যুরিজম প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসায় নতুন করে উচ্ছেদ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে তাদের মাঝে। যুগের পর যুগ ধরে বসবাস এবং জমিজমা ভোগদখল করলেও বেচাকেনা করতে না পারায় নানা সমস্যায় রয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ যেসব এলাকায় তাদের জমিজমা রয়েছে, সেসব স্থানেই বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক বলেন, আমাদের দাবি সরকার যেন এই ভূমির আইনগত স্বীকৃতি আমাদের দেন। এদিকে যে সমস্ত এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করছে সে এলাকাগুলো সনাক্ত করে তা তাদের মালিকানায় বা দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তাদের নেতারা।
বাংলাদেশ ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা তুষার দারিং বলেন, সরকার যদি জমির ব্যবস্থা করে দিতে পারে তবে সেখানে আদিবাসীরা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। তবে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের র্শীষ কর্মকর্তারা বলছেন, মধুপুরের বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কাউকে যেন উচ্ছেদ করা না হয়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, সাত বছর আগে একটি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে এই এলাকাকে সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তার মানে এই নয় যে এই বনভূমির ভিতরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যে মানুষেরা আছে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় ও বন মন্ত্রণালয়ের আন্তঃ মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে দিক নির্দেশনা পেলেই আমরা এই জটিলতাগুলো নিরসন করতে সক্ষম হবো। মধুপুরের ২০ হাজার ১শ ৯২ একর বনভূমির মধ্যে ২০১৬ সালে ৯ হাজার ১শ ৪৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি ঘোষণা করে সরকার। এই অঞ্চলে গারো, কোচ, বর্মণসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রায় ২৫ হাজার মানুষ বসবাস করে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com