শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ : আহ্বায়ক শাহিন সদস্য সচিব তুষার। কালের খবর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন সেনাবাহিনীর। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর
স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখা হলো না শিশু নাসিমের। কালের খবর

স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখা হলো না শিশু নাসিমের। কালের খবর

  • ডেমরা (ঢাকা) প্রতিনিধ, কালের খবর :

স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখা হলো না ডেমরার ৫ বছরের শিশু মো. নাসিমের। বাবার হাত ছুটে গিয়ে নদীতে ডুবে মারা যায় শিশুটি। কাঁদতে কাঁদতে তার বাবা বলেন- কীভাবে যে হাত থেকে ছুটে গেল আমার কলিজার টুকরা।

শনিবার দুপুরে পদ্মা সেতু সংলগ্ন নদীতে বাবা বাবুলসহ বড়ভাই ও অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় নাসিমের।

শনিবার বিকালে তার লাশ ডেমরায় আনার পর নিয়মকানুন শেষে ওই রাতেই ডেমরা কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।

নাসিমের বাড়ি ডেমরার উত্তর বাজার ব্রিজসংলগ্ন এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখতে ওই সেতু সংলগ্ন হলুদিয়া গ্রামে চাচাতো বোনের বাড়িতে গত শুক্রবার বাবা বাবুল, চাচা কবির ও তার দুই বছরের আপন বড়ভাই নাফিসের সঙ্গে বেড়াতে যায় শিশু নাসিম। শনিবার দুপুরে হলুদিয়া গ্রামে পদ্মা নদীতে বাবা বাবুল তার দুই ছেলে নাফিস ও নাসিমসহ অন্যান্য আত্মীয়ের ৩-৪ জন বাচ্চাদের নিয়ে গোসল করতে নামেন।

এ সময় অন্যান্য বাচ্চাদের খেয়াল করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বাবুলের হাত থেকে নাসিম ছুটে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ মিনিট পরে নদী থেকে নাসিমের লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হন তার বাবা।

কান্নাভরা কন্ঠে মৃতের বাবা বাবুল জানান, কীভাবে যে আমার হাত থেকে ছুটে গেল আমার কলিজার টুকরা নাসিম আমি টেরই পেলাম না। ছেলে হারানোর এ কষ্ট আমি কীভাবে সইব বুঝতে পারছি না। আমি নিজেকে নিজে ক্ষমা করতে পারছি না।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com