রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শিকলে বন্দি ২০ বছর পীরগঞ্জের মুক্তারুল। কালের খবর সিলেটে লড়াইয়ে শফিক চৌধুরী সরজমিন উনি এখন আশুলিয়ার রাজা মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপনির্বাচনে , আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান এম. এ. রহিম। কালের খবর : যুবলীগ নেতা উজ্জলের ফাঁদ, থানায় মামলা, চার বছর আমার দেহকে নিয়ে খেলেছে এখন আমার মেয়েকে চায়। কালের খবর প্রাণভয়ে গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় এসে জীবনের নিরাপত্তা দাবি। কালের খবর শায়েস্তাগঞ্জে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে ওসি ও এসআই প্রত্যাহার। কালের খবর স্বাস্থ্য অধিদফতরের ড্রাইভারের ঢাকায় একাধিক বাড়ি, গাড়ি, শত কোটির মালিক॥ কালের খবর ডেমরায় ইস্পাত কারখানায় লোহা গলানোর ভাট্টিতে ছিটকে পড়ে দগ্ধ ৫ । কালের খবর রাষ্ট্রের টাকায় প্লেজার ট্যুর আর কতো ?। কালের খবর
ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে শ্যামগ্রামের মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয় !

ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে শ্যামগ্রামের মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয় !

কালের খবর: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলায় ১৬নং ইউনিয়নে শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির অনিয়মে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে স্কুল সহ ছাত্র ছাত্রীদের।

আমাদের সমাজে যারা শিক্ষার নামে চালিয়ে যাচ্ছে প্রতারণা ও ভন্ডামী । আজকের প্রতিবেদনটি যাকে নিয়ে আলোকপাত করা হল সে হল শতর্বর্ষী শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাক আহাম্মেদ।
মোঃ মোস্তাক আহাম্মেদের দুর্নীতির চিত্রকল্প তুলে ধরার আগে আমি পৃথিবীর কিছু মহত ব্যাক্তিদের উদ্ধৃতি আলোক পাত করতে চাই।যেহেতু আজকের প্রতিপাদ্য বিষয় হল কিভাবে শিক্ষাকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাই শিক্ষা সর্ম্পকৃত কিছু যুক্তিখন্ডন করেই আমি আমার মূল লেখায় ফিরে যাব।এইটা কোন রাজনৈতিক লেখা নয়। তাই ইচ্ছা থাকলে ও মাক্সবাদ ও লেলিনবাদ আমি নিয়ে আসতে পারবনা। যেহেতু মাক্সবাদ ও লেলিনবাদ মানুষের কল্যাণের জন্যই তাদের মতবাদ ও সংগ্রাম ছিল তাই কিছু কিছু বিষয়ে তাদের নাম আসা আমি অপ্রাসংগিক মনে করি না। মো:মোস্তাক একজন পেশাদার ব্যবসায়িক। আর শিক্ষকতা তার একটা লোক ঠকানোর ছাপাখানা। এই ছাপাখানাকে পুঁজি করে সমাজের কতিপয় অসভ্য রাজনৈতিক ব্যাক্তিদেরকে কাজে লাগিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তার সেই ছাপাখানা নামক দুর্নীতিকে। আমি এই প্রসঙ্গে আলোকপাত করব আমার উপসংহারে। এখন আমি আমার লেখায় শিক্ষা কি? শিক্ষার কাজ কি? সে বিষয়ে কিছু কথা টেনে চলে যাব আজকের লেখার আলোচিত ব্যাক্তির কাছে। শিক্ষার প্রতিশব্দ হল education. education সাধারন ও আভিধানিক অর্থ হল শিক্ষাদান ও প্রতিপালন। educate মানে:To bring up and instruct,to teach,to train অর্থাৎ প্রতিপালন করা,শিক্ষিত করিয়া তোলা,শিক্ষা দেওয়া,অভ্যাস করানো। education শব্দের বুৎপক্তিগত অর্থ হল এই যে শিক্ষার্থীর ভিতর ঘুমন্ত প্রতিভা বা সম্বাবনা পরিস্ফুটন।
কবি জন মিল্টন বলেন,education is the hermonious development of body, mind and soul.
আল্লামা ইকবাল বলেন,মানুষের রুহের উন্নত করার প্রচেষ্টার নাম হল শিক্ষা। রবী ঠাকুর বলেন, মানুষের অন্তর্নিহিত গুনাবলীর উন্নতি ও বিকাশের নাম হল শিক্ষা।
কুরআন শরীফের প্রথম বাণী ছিল ইকরা মানে পড়।
হাদিস শরিফে রাসুল (স:) ইরশাদ করেছেন যে জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিম নর নারীর জন্য ফরজ। ইসলামের দৃষ্টিতে শিক্ষা শুরু হয় জ্ঞান অর্জনের মধ্য দিয়ে আর তার সমাপ্তি ঘটবে আল্লাহর কাছে নিজেকে সোর্পাদ করার মধ্য দিয়ে।
দুর্নীতি কি? প্রথমেই আমাদেরকে জানতে হবে যে দুর্নীতি কি? দুর্নীতি একটা নেতিবাচক শব্দ। সহজ ভাষায় হল কু- নীতি,কু-রীতি।নীর্তি বর্হিভূত কর্মকান্ড।
ড. মো: জাকির হোসেনের মতে,সাধারণত ঘুষ বল প্রয়োগ,ভয়-ভীতি প্রদর্শন,প্রভাব খাটিয়ে এবং ব্যাক্তি বিশেষকে সুযোগ সুবিধা প্রধানের মাধ্যমে গনপ্রশাসনের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধা অর্জনের নাম হল দুর্নীতি। অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন যে দুর্নীতির চিত্রকল্প তুলে ধরার আগেই এত উপমা। আমি আমার প্রতিটি প্রতিবেদন লেখার আগে উপমা কেন টানি যারা আমার আগের প্রতিবেদন গুলো পড়েছেন তারা এই বিষয়ে জ্ঞাত আছেন। আমি মো:মোস্তাক আহাম্মেদের দুর্নীতি, কুকীর্তিকে কোন বিশেষনে বিশেষায়িত্ব করব তার কোন কুল কিনার খুঁজে না পাইয়ে এত এত উপমার অবতারণ করতে হয়েছে।
ফরাসি বীর নেপোলিয়ান বোনার্পাট বলেছিল তুমরা আমাকে একটা শিক্ষিত মা দাও।আমি তুমাদেরকে একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দিব। আর অসভ্য শ্যামগ্রামের রাজনৈতিক নেতারা বলেন। তোমরা আমাদেরকে লাখ লাখ টাকা ঘুষ দাও আমরা অযোগ্য ব্যাক্তিকে স্কুলের শিক্ষক বানিয়ে দেব। মুষ্টিমেয় কতিপয় লোক সামান্য টাকার বিনিময়ে শুধু ঐতিহ্যবাহী মোহিনী কিশোর স্কুলকে ধ্বংস করছে না।আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনকে অন্ধকারের অমানিষায় নিক্ষেপ করেছেন । যে জাতি শিক্ষাকে সম্মান করতে জানে না। সে জাতির মত এমন দুর্ভাগা জাতি পৃথিবীতে নাই। মো: মোস্তাক আহাম্মেদ নিয়োগ পাওয়ার জন্য শুরুতেই নানান ছলছাতুরির আশ্রয় নেন।
প্রধান শিক্ষক নিয়োগে মো: জাফরুল্লাহ বিশাল ব্যাবধানে প্রথম স্থান অর্জন করে ও কেন প্রধান শিক্ষক হতে পারেনি। এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো অনেকেই জানেন না।জাফরুল্লাহ একজন মেধাবি সচ্ছ মনের অধিকারী ছিল। তার সকল প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল ছিল প্রথম ক্লাসের।আর ব্যবসায়ি মোস্তাক আহাম্মেদের সকল প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলা দ্বিতীয় ক্লাস।তারপর ও কেন মো: জাফরুল্লাহ নিয়োগ পেল না। এইটাকেই বলে অন্যের মাথায় কাঁঠাল রেখে কোষ খাওয়া। শ্যামগ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব নাসির উদ্দীনের সাহায্যে ও ইমাম হাসান বাতেন আর মোস্তাক আহাম্মেদের ত্রিমাথার পরিকল্পনায় নিয়োগ কার্ডে মাননীয় এমপি মহোদয়ের বরাত দিয়ে বেতন দেখানো হয় ৫,০০০ টাকা। শুধু তাই নয় এই চেয়ারম্যান ও তার সাংগু পাংগুরা ২,০০,০০০ টাকা ঘুষ ও নেয় মোস্তাক আহাম্মেদের কাছ থেকে। যার ফলশ্রুতিতে জাফরুল্লাহ চাকরি করতে অনীহা প্রকাশ করে। আর দ্বিতীয় হওয়া মোস্তাক আহাম্মেদ সুযোগটা কাজে লাগায়। অথচ মোস্তাক আহাম্মেদের সময় যুতচোর বাতেন নিয়োগ কার্ডে বেতন দেখান ১০,০০০ টাকা। কেন কি কারনে যুতচোর বাতেন নিয়োগের শুরুতেই মোস্তাককে অপরাধ করার সুযোগ দিল তা একটু পরেই বুঝতে পারবেন। মোস্তাক আহাম্মেদের ২,০০,০০০ টাকা কমিটির কতিপয় সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বিলি করেন আরেক যুতচোর ব্যবসায়ি মান্নান মাষ্টার। টেমপুরারি হিসাবে ২০০৩ সালে স্কুলে ঢুকেন মান্নান মাষ্টার। পরে নাসির চেয়ারম্যানকে কাজে লাগিয়ে চাকরি স্থায়িত্ব করে নেন। মো: মোস্তাক নিয়োগ পাওয়ার পর পরই শুরু হয় মেধাবি ও তার মতের বিরুদ্ধকারী শিক্ষকদের উপর অমানবিক নির্যাতন। বৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া সহকারী প্রধান শিক্ষক মহোদয় জনাব বাবু প্রদীব কুমার দাসের মাধ্যমে শুরু হয় তার নির্যাতনের কলকাঠি। মোস্তাক আহাম্মেদ নব্য আওয়ামিলীগের দালাল। সে আওয়ামিলীগের কতিপয় নেতা কর্মিকে টাকা পয়সা খাওয়ায়ে তাদের সাথে আর্তাত করে চলে। যুতচোর বাতেনকে দিয়ে প্রদীপ

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com