শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দুই শতাধিক বিদ্যুতের খুঁটিতে ব্যাহত হচ্ছে ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়ক উন্নয়ন কাজ পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রের উদ্বোধন। কালের খবর কোটালীপাড়ায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালিত। কালের খবর বেলকুচিতে বাল্যবিয়ে দেয়ার অপরাধে কনের পিতার কারাদন্ড। কালের খবর নবীনগরে মহেশ রোডের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি চলাচলে চরম দুর্ভোগ মেহেরপুর মানুষের সব স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে ব্যাপক ভাবে : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি। কালের খবর নবীনগরে বিটঘর মহেশ রোডের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি চলাচলে চরম দুর্ভোগ ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়কে গ্যাস লাইনে ফাটল, দুর্ঘটনার আতংকে রাস্তায় দীর্ঘ যানজট। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্য, সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তাড়াশ উপজেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ চাকরৌহালী ও কোনাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে ম‍্যানিজিং কমিটি গঠনে ব‍্যাপক অনিয়ম। কালের খবর
মহানবীকে কটূক্তিকারীর সাজা যৌক্তিক: ইউরোপিয় মানবাধিকার আদালত। কালের খবর

মহানবীকে কটূক্তিকারীর সাজা যৌক্তিক: ইউরোপিয় মানবাধিকার আদালত। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স:)-কে ‘শিশু যৌন নিপীড়নকারী’ বলায় অস্ট্রিয়ান এক নারীকে দেশটির স্থানীয় আদালত যে সাজা দিয়েছে, তা বহাল রেখেছে ইউরোপের মানবাধিকার আদালত। আদালত বলেছে, ওই মহিলাকে সাজা দিয়ে তার বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘণ করেনি অস্ট্রিয়ার আদালত। এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।
ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস এর রায়ে আরও বলেছে, সাজা দেওয়ার সময় অস্ট্রিয়ার আদালত নিজেদের রায়ে ‘খুব সতর্কভাবেই ওই নারীর বাকস্বাধীনতা ও অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতি সুরক্ষিত রাখার অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রেখেছে।’
সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী ২০০৯ সালে দুটি প্রকাশ্য সেমিনারে দাবি করেছিলেন, নবী মোহাম্মদ (স:)-এর সঙ্গে অল্পবয়সী এক মেয়ের বিয়ে ‘শিশু যৌন নির্যাতনে’র শামিল। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার একটি আদালত তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মতবাদকে অবজ্ঞা করার অভিযোগে ৪৮০ ইউরো জরিমানা করে। ওই মহিলা এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের উচ্চ আদালতে আপিল করলেও পূর্বের রায় বহাল থাকে।
অগত্যা ইউরোপের সর্বোচ্চ মানবাধিকার আদালতে যান সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী। তার আপিলের প্রেক্ষিতেই মানবাধিকার আদালত বলেছে, অস্ট্রিয়ার আদালতের মূল সিদ্ধান্ত ধর্মীয় শান্তি অক্ষুন্ন রাখার যৌক্তিক উদ্দেশ্য বজায় রেখেছে।
৭ বিচারক বিশিষ্ট আদালত আরও বলেছে, ওই নারীর বক্তব্য ‘বস্তুনিষ্ঠ বিতর্কের অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘণ করেছে।’ এছাড়া এ ধরণের বক্তব্যের কারণে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমাজে ‘গোঁড়া বিশ্বাস’ জন্ম দিতে পারে এমনকি ধর্মীয় শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।
ওই নারীর বক্তব্য কেন বাকস্বাধীনতা দ্বারা সুরক্ষিত নয়, তার ব্যাখ্যায় আদালত আরও বলেছে, এ ধরণের বক্তব্য ‘মুসলিমদের মধ্যে যৌক্তিকভাবেই ক্রোধ জন্ম দিতে পারে।’ এছাড়া এসব কথা ‘তথ্যগত ভিত্তি ছাড়াই সাধারণীকরণের শামিল’।।

 

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com