শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাজেক বাঘাইহাট অসহায় ও দুস্থ পরিবারের পাশে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূর হোসেনের মানবিক সহায়তা। কালের খবর রাঙামাটিতে অবশেষে মৃত পুরুষ হাতিটির পাশে সরল সঙ্গী, করবে ময়নাতদন্ত । কালের খবর সাজেক পর্যটক রুইলুই পাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক চার। কালের খবর চট্টগ্রাম মহানগরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন : সভাপতি টিটু, সাধারণ সম্পাদক শাহীন। কালের খবর সাজেক দুর্গম এলাকায় শিয়ালদহ বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক বিতরণ করেন বাঘাইহাট আর্মি জোন। কালের খবর রাঙ্গামাটি সাজেক বৈশাখী ( বিযু) উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। কালের খবর সাজেক শুকনাছড়া এলাকা যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫২.৭১ ঘন ফুট সেগুন কাঠ জব্দ। কালের খবর জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য এলাকা থেকে বিএনপির খাগড়াছড়ির শাহেনা আক্তার আলেচনায়। কালের খবর কালের সাক্ষী হয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী এই ভবন! কালের খবর দেশের আভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের খনিজসম্পদ ব্যবহারের দাবি। কালের খবর
মতলব উত্তরে দেড় শতাধিক স্কুলে নেই কোনো খেলার মাঠ

মতলব উত্তরে দেড় শতাধিক স্কুলে নেই কোনো খেলার মাঠ

কালের খবর প্রতিবেদক : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দেড় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো খেলার মাঠ নেই। কিন্তু মতলব উত্তর উপজেলায় ১৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে দেড় শতাধিক বিদ্যালয়েরই অল্প হলেও খেলার মাঠ থাকার কথা ছিল। কেননা, কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে গেলে যদি তা সরকারি রেজিস্ট্রেশন পেতে হয় তবে প্রথম শর্তই হচ্ছে ওই বিদ্যালয়ের নামে ৩৩ শতক জমি থাকতে হবে। আর কোনো বিদ্যালয়ের নামে ৩৩ শতক জমি থাকলে তাতে করে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করার পরেও খেলার মাঠ থাকে। কিন্তু এ উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়েরই পুরো ৩৩ শতক জমি বিদ্যালয়ের দখলে নেই। অনেক ক্ষেত্রে তা স্থানীয়দের দখলে এবং বেশিরভাগ হাইস্কুলসংলগ্ন প্রাইমারি স্কুলগুলোর ভবন ব্যতীত ৩৩ শতকের বাদবাকি পুরো জমিই বেদখল।

উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন ১ পৌরসভার চরকালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলে ৩৩ শতকের মধ্যে ১ শতক জমিও তাদের দখলে নেই। বর্তমানে স্কুলের ভবনটি যেখানে রয়েছে সেটি স্থানীয় একজনের ব্যক্তিগত জমি। এছাড়া উপজেলার গাজিরগাছখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোরখালি স. প্র. বিদ্যালয়, বড় মরাদোন স. প্রা. বিদ্যালয়, উত্তর নাউরী স. প্রা. বিদ্যালয়, পাঁচানী স. প্রা. বিদ্যালয়, সাড়ে পাঁচানী স. প্রা. বিদ্যালয়, ফরাজীকান্দি স. প্রা. বিদ্যালয়, কালিগাছতলা কাজী সুলতান স. প্রা. বিদ্যালয়, মুদাফর স. প্রা. বিদ্যালয়, ৬৫ এখলাছপুর স. প্রা. বিদ্যালয়সহ দেড় শতাধিক বিদ্যালয়েরই নেই কোনো খেলার মাঠ।
উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে আরো দেখা যায়, অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে যেগুলোর ছাত্রছাত্রীরা স্কুল চলাকালীন থাকে খাঁচাবন্দি। স্কুলের ভবন ব্যতীত অবশিষ্ট জমি থাকলেও তা রয়েছে অন্যের দখলে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের আশপাশ এলাকায় সরকারি খাসজমি থাকলেও মাঠের জন্য জমি বরাদ্দের কোনো উদ্যোগই নেই সংশ্লিষ্টদের। সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও এলাকার লোকজন অভিন্ন সুরে বলেন, মাঠের অভাবে স্কুলগুলোতে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীর আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাছাড়া, বর্তমান সরকার তৃৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল খেলোয়াড় তৈরি করার জন্য নিয়মিতভাবে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে আসছেন। কিন্তু এ উপজেলার দেড় শতাধিক স্কুলে খেলার মাঠ না থাকায় সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাহত আর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলো হচ্ছে দায়সারাভাবে। মাঠের অভাবে প্রাক-প্রস্তুতি না থাকায় উপজেলা পর্যায়ের অনেক খেলাধুলাই মানসম্মত হচ্ছে না। এমনকি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণই করছে না। মতলব উত্তর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে ৩৩ শতাংশ জমির প্রয়োজন হয়। বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের পরে শিশুদের খেলার মতো জমি থাকার কথা থাকলেও এ উপজেলার বেশকিছু বিদ্যালয়েই স্থানীয় কিছু সমস্যার কারণে খেলার মতো জায়গা নেই। তবে, সকলের সহযোগিতা পেলে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো বলে আশা করছি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com