শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ১২:১৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুর বন্যার প্রভাবে হাটভর্তি গরু, ক্রেতা কম !! কালের খবর রূপগঞ্জে কারখানার বিষাক্ত পানিতে মরে গেলো ৩ লাখ টাকার মাছ : অসুস্থ অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা। কালের খবর মুরাদনগরে  দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক  বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। কালের খবর বাঘারপাড়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অর্থায়নে এক,শত শিক্ষার্থী কে বাইসাইকেল প্রদান। কালের খবর পৈত্রিক সম্পত্তি ভূমিদস্যু হাতে থেকে রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জগন্নাথপুরে রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া, জানাযা সম্পন্ন। কালের খবর সাইবার অপরাধ দমন ও অপপ্রচার ঠেকাতে একটি আলাদা ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন। কালের খবর ইউপি চেয়ারম্যান পিতার এক ছেলে এমপি আরেক ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান। কালের খবর ঢাকা প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য এম নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক। কালের খবর
সড়ক যেন লালমাটির খাল। কালের খবর

সড়ক যেন লালমাটির খাল। কালের খবর

নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরী বিসিক এলাকায় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ সড়কে খনাখন্দে পানি জমে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে চলাচলরত যানবাহন গুলো অচল হয়ে পড়ছে। পথচারীসহ এলাকাবাসী কে প্রায়শ কাদামাটিতে পড়তে হচ্ছে। সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করা হলেও স্থায়ী সমাধান আসছেনা। এলাকাবাসি বলছে বিসিক এলাকায় সড়কের অংশে খাল হয়ে মরণ ফাঁদের সড়ক হয়ে গেছে। এই ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে বিসিকের গার্মেন্ট মালিকসহ কোটিপতি ব্যবসায়ী চলাচল করে।

জানা গেছে, ফতুল্লার পঞ্চবটি থেকে মোক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক ও সেতু বিভাগের সড়ক। ভারী বর্ষণের কারণে রাস্তার পিচ, ইট, খোয়া উঠে গিয়ে খানাখন্দে  হয়ে যায়। সেতু বিভাগ সংস্কার সরূপ শুধু গর্ত গুলোতে ইট বিছিয়ে দেয় কয়েকবার। ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জের এই সড়কে প্রতি মিনিটে ৩০ থেকে ৪০টি ভারী যানচলাচল করে। এ সড়কের দুই পাশে বিসিক শিল্পনগরী ও বেশ কয়েকটি সিমেন্ট কারখানাসহ ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ফলে সড়কও দ্রুত সেই পুরনো চিত্রে ফিরে আসে। হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, বিসিকে ৭২৮টি প্লটের মধ্যে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ৬৫৭টি ছিলো এর মধ্যে কিছু বন্ধ হলেও বেশির ভাগ চলছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক রয়েছেন ২ লাখ ২৫ হাজার। এর মধ্যে নারী শ্রমিক ১ লাখ ১৫ হাজার। এখান থেকে সরকার রাজস্ব পায় বছরে  হাজার কোটি টাকা অধিক। বিসিক এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর জমির কিস্তি, সার্ভিস চার্জ, ভূমি উন্নয়ন কর ও পানির বিল কোটি টাকা আদায় করা হয়। কিন্তু এরপরও বিসিকের প্রবেশ পথ দীর্ঘ সময় ধরে বেহাল দশা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্রমিকরা জানান, বছর হয়ে গেছে কোনো সংস্কার কাজই হয়নি। রাস্তা গুলোয় ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে অনেক দিন ধরেই। এসব গর্তে প্রায়ই যানবাহন আটকে পড়তো। বিসিক এলাকায় সড়কের অংশে খাল হয়ে গেছে। এই ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে বিসিকের গার্মেন্স মালিকসহ কোটিপতি ব্যবসায়ীরাও চলাচল করে। ছুটি বা দুপুরের বিরতির সময় একসঙ্গে সব শ্রমিক বের হলে চরম অসুবিধায় পড়তে হয় তাদের। স্বল্প গভীরতার নালা একটু বৃষ্টিতেই উপচে ওঠে। বৃষ্টি এলে শ্রমিকদের পানি ভেঙে কারখানায় আসতে হয়। আর টানা কয়েকদিন বর্ষণ হলে সঙ্গে অতিরিক্ত কাপড় আনতে হয় শ্রমিকদের।

এ প্রসঙ্গে, এনায়েত নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানান, রাস্তাটি গত ১ বছর ধরে বেহাল দশা। কয়েকবার ইট দিয়ে মেরামত করা হলেও স্থায়ী ভাবে সমাধান হয়নি। কয়েকদিন পর পর পূর্ণরায় ভেঙ্গে গেছে। এই সড়কের মূল সমস্যা হলো ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই।  চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আরও জানান, এই রাস্তাটি  সড়ক ও জনপদ বিভাগের। গত তিনদিন আগে ঢাকা থেকে একদল প্রকৌশলী এসেছিলেন। তারা সড়কের বিভিন্ন দিখেছেন। কয়েকদিনের মধ্যে আরও একটি টিম আসবে। সেই টিম সদর উপজেলার প্রকৌশলীদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত মেরামত কাজ শুরু করবে। এছাড়া এই সড়কে ফ্লাইওভার হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান  ইউপি চেয়ারম্যান।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com