সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
প্রথম ধাপের ১৬১ ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা শেষ। কালের খবর যশোরে গ্রাম ডাক্তার কল্যান সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর শিক্ষামন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হট্টগোল : মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর রাগ উগড়ে দিলেন এমপি মনু। কালের খবর বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাত্রনেতা শাহাজুল আলমের ৪৬তম মৃত্যার্ষিকী। কালের খবর মানিকগঞ্জে ব্যবসায়ীকে মারধর, দোকানপাট বন্ধ রেখে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ। কালের খবর পুলিশ চাইলে সব পারে- দুই ঘন্টায় হারানো মোবাইলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধার। কালের খবর সখীপুরে টিনের বেড়া কেটে দোকানের মালামাল লুট। কালের খবর অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে অনুষ্ঠান বর্জন সাংবাদিকদের। কালের খবর সিরাজগঞ্জে চলনবিলে শামুক-ঝিনুক নিধন করছে অসৎ ব‍্যবসায়ীরা। কালের খবর। মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ইউপি চেয়ারম্যনের বিরুদ্ধে নারীকে ধর্ষন ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ। কালের খবর
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ। কালের খবর

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ। কালের খবর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, কালের খবর : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অর্থ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফি বাবদ অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন।

জানাগেছে, গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে গত শনিবার (৬ এপ্রিল) থেকে মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের ফি বাবদ ১শত ৫০টাকা করে নেওয়া হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ১শত ৫০ টাকা ফি নেওয়ায় অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিভাবক হায়দার হাওলাদার বলেন, উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুটি পরীক্ষা হয়। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশনা অমান্য করে আমাদের বিদ্যালয়ে মডেল টেস্ট নাম দিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষায় ৩শত ৩৮ জন ছাত্র-ছাত্রী কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষক হাতিয়ে নিয়েছেন। আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই গরীব। এদের অনেকের এই টাকা দিতে কষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক চিত্ত রঞ্জন মন্ডলের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে আমি ছাত্র-ছাত্রীদের এই মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু করেছি। আমি পরীক্ষার ফির কোন অর্থ আত্মসাৎ করিনি।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাহবুব দিপু, মুকুল হাওলাদার ও আবু সাইদ সিকদার বলেন, মডেল টেস্ট পরীক্ষার ব্যাপারে কমিটিতে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক তার একক সিদ্ধান্তে এই পরীক্ষা নিচ্ছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ধরনের মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়ার সরকারি কোন বিধান নেই। এই মডেল টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক যদি কোন অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com