সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লায় নৌকার কাণ্ডারি শীর্ষ মাদক কারবারি রুহুল আমিন রিফাত। কালের খবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে বসতঘর পোড়ানোর অভিযোগ। কালের খবর নবীনগরের সলিমগঞ্জ বাজারের সভাপতি এস এম বাদলের বাড়ি থেকে চোরাই মোটরসাইকেল সহ ৪ চোরাকারবারি আটক। কালের খবর ভুয়া ট্রাভেলস এজেন্সির নতুন প্রতারণা। কালের খবর মাদারীপুরের টেকেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় দাদা নাতি নিহত ২, গুরুতর আহত ১। কালের খবর ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে আশুতোষ-দিদার-সরোয়ার। কালের খবর বাস যাত্রীদের প্রাণ বাঁচানো সেই ট্রাফিক পুলিশদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। কালের খবর ড.ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। কালের খবর ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সাধারন মানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ’: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এমপির জানাজা অনুষ্ঠিত
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ। কালের খবর

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ। কালের খবর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, কালের খবর : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অর্থ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফি বাবদ অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন।

জানাগেছে, গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে গত শনিবার (৬ এপ্রিল) থেকে মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের ফি বাবদ ১শত ৫০টাকা করে নেওয়া হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ১শত ৫০ টাকা ফি নেওয়ায় অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিভাবক হায়দার হাওলাদার বলেন, উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুটি পরীক্ষা হয়। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশনা অমান্য করে আমাদের বিদ্যালয়ে মডেল টেস্ট নাম দিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষায় ৩শত ৩৮ জন ছাত্র-ছাত্রী কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষক হাতিয়ে নিয়েছেন। আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই গরীব। এদের অনেকের এই টাকা দিতে কষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক চিত্ত রঞ্জন মন্ডলের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে আমি ছাত্র-ছাত্রীদের এই মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু করেছি। আমি পরীক্ষার ফির কোন অর্থ আত্মসাৎ করিনি।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাহবুব দিপু, মুকুল হাওলাদার ও আবু সাইদ সিকদার বলেন, মডেল টেস্ট পরীক্ষার ব্যাপারে কমিটিতে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক তার একক সিদ্ধান্তে এই পরীক্ষা নিচ্ছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ধরনের মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়ার সরকারি কোন বিধান নেই। এই মডেল টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক যদি কোন অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com