বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ছাই হওয়া স্বপ্ন গড়লেন লাগালেন এমপি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন’। কালের খবর বাঘারপাড়ায়-পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনন্দে এলাকাবাসী কে মিষ্টি খাওয়ালো (চায়ের দোকানদার) মারজোন মোল্লা। কালের খবর কানাইঘাটে বিএমএসএফ ও রেড ক্রিসেন্টের যৌথ উদ্যোগে বন্যার্তদের ফ্রি চিকিৎসাসহ ঔষধ বিতরণ। কালের খবর সরকার সারা দেশে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করছে : প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর শাহজাদপুরে বাধা দেয়ার পরও সহবাস করায় ব্লেড দিয়ে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন করলো স্ত্রী!। কালের খবর পদ্মাসহ সকল সেতুতে সাংবাদিকদের টোল ফ্রি করা উচিৎ: বিএমএসএফ। কালের খবর বৃহত্তর ডেমরার যাত্রাবাড়ি বর্ণমালা স্কুলের অধ্যক্ষ ও সভাপতির দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন। কালের খবর স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখা হলো না শিশু নাসিমের। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় পাট কাটার ধুম পরেছে। কালের খবর নবীনগরে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ। কালের খবর
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি সম্পাদক পরিষদের। কালের খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি সম্পাদক পরিষদের। কালের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের খবর  :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো নিয়ে সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করার বিষয়ে তিনজন মন্ত্রীর দেওয়া সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছে পরিষদ। অচিরেই শুরু হতে যাওয়া বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সম্পাদক পরিষদের মতে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিকে বাক্স্বাধীনতার প্রতি গুরুতর হুমকি বিবেচনা করে সাংবাদিক ও নাগরিক সম্প্রদায় যে উদ্বেগ জানিয়েছে, তা নিরসনের এটাই শেষ সুযোগ।
সম্পাদক পরিষদ পুলিশের হস্তক্ষেপ ও খেয়ালখুশিমতো গ্রেপ্তারের কবল থেকে বাক্স্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের সুরক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করতে সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিষদ তাদের অবস্থান ও উদ্বেগ গণমাধ্যমকে জানানোর জন্য আগামী শনিবার দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভা শেষে এক বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদ এসব কথা জানিয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন।

সাইবার স্পেস ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা সম্পাদক পরিষদ সমর্থন করে এবং সভায় তা তুলে ধরা হয়। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩-র মতো বিতর্কিত ধারাগুলোকে মুক্ত সংবাদমাধ্যমের পরিপন্থী, বাক্স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরোধী এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে বিরোধাত্মক বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ।

সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগের কথা মন্ত্রিসভায় উত্থাপন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি সংশোধিত খসড়া প্রণয়নের ব্যাপারে তিনজন মন্ত্রীর দেওয়া সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি রক্ষা না হওয়ায় সম্পাদক পরিষদ গভীর হতাশা প্রকাশ করছে। সম্পাদক পরিষদ বিষয়টিকে তিনজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে সংগঠনের আস্থা ও বিশ্বাসের লঙ্ঘন মনে করে।

উল্লেখ্য, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর উদ্যোগে, যিনি প্রস্তাবিত আইন নিয়ে নতুন এক দফা আলোচনা শুরুর প্রতিশ্রুতি দেন এবং সম্পাদক পরিষদকে তাতে আমন্ত্রণ জানান। একই প্রতিশ্রুতি ওই সভায় আইনমন্ত্রী এবং তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রীর পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিশ্রুত আলোচনা শুরুর একটি সুযোগ ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতির মাধ্যমে হারিয়ে গেছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে। সাংবিধানিক এখতিয়ারবলে রাষ্ট্রপতি বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠালে ওই আলোচনা হতে পারত।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আগেও বলেছি এবং আবারও বলছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিকে আমরা—১. সংবিধানের ৩৯ (ক) ও (খ) ধারায় প্রদত্ত বাক্স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা; ২. আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জড়িয়ে থাকা মূল্যবোধ ও স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার; ৩. জাতিসংঘ সনদ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তিতে সুরক্ষিত গণতন্ত্র, মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা ও মৌলিক অধিকারের নীতি; এবং ৪. নৈতিক ও স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌল মূল্যবোধগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করছি। ’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, নিউজ টুডের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দীন, আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, দ্য ইনডিপেনডেন্ট সম্পাদক এম শামসুর রহমান, সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শহীদুজ্জামান খান।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com