রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মেসি নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনার অসাধান জয়। কালের খবর গরিবের থেকে ‘কম ঘুষ নেওয়া’ তহশিলদার আব্দুস সাত্তার বরখাস্ত। কালের খবর অর্থের অভাবে চিকিৎসা পাচ্ছেনা টিউমার ও হরমোন রোগে আক্রান্ত কুষ্টিয়ার সুবেল হোসেন। কালের খবর রূপগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। কালের খবর যশোরে ওএমএসে বরাদ্দ কম হওয়ায় খালি হাতে ফিরছে অনেকই আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিতাদেশ আদালতের। কালের খবর এমপি-পুলিশের টাকার রক্ষক এখন ভক্ষক, কে এই জাকির চেয়ারম্যান! কালের খবর নবীনগরে ৮বছর পর আ’লীগের সম্মেলন, কে আসছে আগামী’র নেতৃত্বে? কালের খবর তাড়াইলে ইউএনও লুবনার বিলাসিতা, দুপুরের খাবার বিল ১০০০ টাকা। কালের খবর বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক সোহরাব সুমনের উপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ। কালের খবর
বিশ্বের বৃহত্তম কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওয়াই ব্রীজ উদ্বোধনের অপেক্ষায়। কালের খবর

বিশ্বের বৃহত্তম কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওয়াই ব্রীজ উদ্বোধনের অপেক্ষায়। কালের খবর

কালের খবর প্রতিবেদক : এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রূপ নিয়েছে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন উপজেলার সীমান্তের তিতাস নদীর ওপর নির্মিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘ওয়াই সেতু’। এখন শুধু অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের।

সেতুটি ১৬ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনটাই জানালেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো.ফজলে রাব্বি।

স্বপ্নের এই সেতু চালু হলে পাল্টে যাবে চারদিকে নদীবেষ্টিত বাঞ্ছারামপুরের চেহারা। নদী পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষার প্রহর আর গুনতে হবে না এখানকার সাধারণ মানুষকে। অতি অল্প সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখন সময়ের ব্যাপার।

শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের বৃহত্তর এই ওয়াই সেতুতে বদলে যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বাঞ্ছারামপুরের অর্থনীতির চাকা। সেতুটি ওয়াই আকৃতির হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে ‘ওয়াই সেতু’।

ত্রিমোহনার দুই অংশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া ও চরলহনিয়া, অপরটি পশ্চিম অংশে কুমিল্লার রামকৃষ্ণপুর বাজার এবং মুরাদনগর উপজেলা স্পর্শ করেছে।

এখন চলছে শেষ মুহূর্তের লেভেলিংয়ের কাজ, ধোয়ামোছা, ছোটখাটো ত্রুটিবিচ্যুতি সারাই ও রঙের কাজ। সেতুটি চালু হলে দুই জেলার তিন উপজেলার মধ্যে রচিত হবে সেতুবন্ধন। ফলে এ অঞ্চলের অর্থনীতির চাকা পাল্টে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তবে এলাকাবাসী ও সেতু সংশ্লিষ্টদের দাবি, সেতুটি বিশ্বের বৃহত্তম ওয়াই সেতু। তবে কেউ কেউ বলছেন, বিশ্বের নয়, এশিয়ার সবর্বৃহৎ ওয়াই সেতু এটি। মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে বছরখানিক আগে। সংযোগ সড়কের কাজও শেষ হয়ে এখন প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধোধনের অপেক্ষায় বলে জানালেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রকৌশলী মো.জাহাঙ্গীর আলম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নাভানা বিল্ডার্সের আওতায় ২০১১ সালের ১৬ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৭১ দশমিক ২০ মিটার এবং প্রস্থ ৮ দশমিক ১০ মিটার।

দৃষ্টিনন্দন এই সেতু নির্মাণে খরচ ধরা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর জমি অধিগ্রহণ খাতে খরচ সাড়ে ৯ কোটি টাকা।

সেতুটি নির্মাণের ফলে এলাকার যোগাযোগ ও বিনোদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। সেতুতে পাইল হয়েছে ৩০২টি। তিতাস নদীর ওপর এ সেতুর নির্মাণ শেষ হলে এটি চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহূত হবে।

সেতুটি নির্মাণের ফলে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ স্বল্প সময়ে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন। তাদের আর চৌদ্দগ্রাম কিংবা গৌরীপুর হয়ে ঢাকা যেতে হবে না। অন্যদিকে লাঘব হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, নবীনগর ও কুমিল্লার মুরাদনগর, তিতাস, হোমনা, চান্দিনার লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে কমে আসবে দু-তিন ঘণ্টা সময়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, সেতুটি নির্মাণের ফলে মুরাদনগর-কুমিল্লা ও ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যোগাযোগ সহজ হবে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-ঢাকার বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহূত হবে এ সেতু।সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। আমরা চেষ্টা করছি, যেন প্রধানমন্ত্রী ‘ওয়াই সেতু’ উদ্বোধন করার পর অর্থনৈতিক পরিক্রমা বৃদ্ধির। এলাকাবাসীরও দাবি এটি।’

তিনি বলেন, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিকল্প পথ হিসেবে বাঞ্ছারামপুরকে ব্যবহার করার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। আর সে স্বপ্ন থেকেই এই ওয়াই সেতু।এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রূপ নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লার তিন উপজেলার সীমান্তের তিতাস নদীর ওপর নির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ‘ওয়াই সেতু’। এখন শুধু অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের-এমনটাই জানালেন সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম এমপি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com