শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৯:২১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
তাড়াশে মহেশরৌহালী গ্রামের প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের বেহাল দশা। কালের খবর মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবেছে গ্রামের পর গ্রাম। কালের খবর সাংবাদিকরা পারে ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে : তথ্যমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগর আঞ্চলিক কথা গ্রুপের উদ্যোগে দুটি অসহায় পরিবারের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান। কালের খবর সখীপুরে গরুর লাথি খেয়ে আহত ১৩ জন হাসপাতালে। কালের খবর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ট্রাকভর্তি উপহার পাঠিয়ে চমকে দিলেন বাবা। কালের খবর জীবন অগাধ : আলাউদ্দিন খাঁর বড় ছেলে। কালের খবর তিন দিনে ৮ কোটি টাকার টোল আদায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে। কালের খবর শোক সংবাদ : জয়দেব সূত্রধর আর নেই। কালের খবর বোয়ালমারীতে পৌরসভার ৫০০শত ভ্যানচালককে ঈদ উপহার প্রদান। কালের খবর
ডেমরার সড়কগুলোর সংস্কার কাজে চলছে কচ্ছপ গতি : মানুষের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ আর হতাশা। কালের খবর

ডেমরার সড়কগুলোর সংস্কার কাজে চলছে কচ্ছপ গতি : মানুষের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ আর হতাশা। কালের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের খবর :
দীর্ঘ ২০ বছর পর আশার মুখ দেখেছে সারুলিয়া ইউনিয়নের এলাকাবাসী। সম্প্রতি সরকারের সিদ্ধান্তে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আসে এ এলাকাটি। শুরু সড়ক সংস্কারের কাজ। এলাকার বেশিরভাগ সড়ক খুড়ে বেহাল অবস্থা বানিয়ে রেখেছে কতৃপক্ষ। ধীর গতির কাজের ফলে সাধারনের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। তবে সংস্কার কাজ শুরু হলেও শেষ কবে হবে তা জানে না কেউ। অপেক্ষার সঙ্গে বাড়ছে ভোগান্তি।

প্রতিনিয়ত ১৫ কিলোমিটার এই সড়কগুলো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভোগান্তির সাথে চলাচল করছে কয়েক লাখ মানুষ। এতদিন হয়ে গেল কাজের কোন অগ্রগতি নেই। এতে উল্টো চরম ভোগান্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী।

রোদ, কি বৃষ্টি বছরের বেশিরভাগ সময় সড়কে জলাবদ্ধতা বেধেই থাকে গ্রীন সিটি, কোদালধোয়া, সানারপাড়, ডগাইর এলাকায়। এতে করে সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যেন এক একটি মরণ ফাঁদ। প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন দোকানপাট আর ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। এতে করে বছরের বেশিরভাগ সময়ে সড়কগুলো খালে পরিনত হয়ে থাকে। যার কারনে বড় বড় গর্তগুলো চোখে দেখতে না পেয়ে নিত্যদিন রিকসা, ভ্যান, হিউম্যান হোলার, লেগুনা উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।

সড়কগুলো ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে গেলেও প্রশাসনের নেই কোন নজর। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরও সড়কগুলো সংস্কারের কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। আর ধীর গতির কাজের কারনে মানুষের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ আর হতাশা।

স্থানীয়রা জানায়, কয়েকমাস ধরে শুনছি সড়কের কাজ শেষ হয়ে যাবে। কোথাও রাস্তা কেটে রাখা হয়েছে। কোথাও রাস্তা পানির নিচে ডুবে আছে। কিন্তু এত দিন হয়ে গেল কাজের কোন অগ্রগতি দেখছি না। এতবছর পরও যখন আশায় রইলাম মনে হচ্ছে সড়কটি আর দেখে যেতে পারবো না। আগে গাড়ি ছিল না পায়ে হেটে যেতাম তখনই ভালো ছিল। এখনত পায়ে হেটে যাওয়ারও অনুপযোগি। কখন কোন গর্তে পড়ে যাই তার কোন ঠিক নাই।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিল্লাল খান জানান, ওই এলাকার সড়কগুলো অবস্থা নিয়ে খোজ খবর নেয়া হবে। কোথাও কোন ধরনের অবহেলা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com