রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের অস্তিত্বের তিন স্তম্ভ-ত্যাগের ইতিহাস ও আগামীর রাষ্ট্রচিন্তা। কালের খবর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু। কালের খবর ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ৫৬ সদস্যের মিডিয়া কমিটি ঘোষণা। কালের খবর সবার আগে বাংলাদেশ : এক নদী রক্ত ও অশ্রুর পরে আগামীর এক পশলা স্বপ্ন। কালের খবর মাটিরাঙ্গার গুমতিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের পিতার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। কালের খবর বেগম খালেদা ছিলেন স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। কালের খবর স্বনির্ভরতার অর্থনীতি : শহীদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ। কালের খবর ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর
শেষ হলো চরমোনাই-এর ফাল্গুনের ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল

শেষ হলো চরমোনাই-এর ফাল্গুনের ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল

কালের খবর প্রতিবেদক : আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো এ মাহফিল। পীর সাহেব চরমোনাই এ মোনাজাত পরিচালনা করেন। গত বুধবার থেকে শুরু হয়েছে চরমোনাই-এর ফাল্গুনের ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল।

শনিবার ফজরের নামাজের মাহফিলে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের উদ্দেশে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন। বয়ানে দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের প্রস্তুতির নসিহত করে বলেন, এ দুনিয়া থাকার জায়গা নয়। তাই কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়ার মোহে পড়তে থাকতে পারে না।’

চরমোনাইয়ের পীর বলেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের কামাইয়ের জায়গা। এখান থেকে পরকালের জীবনকে সাজাতে যারা চেষ্টা যত বেশি হবে, পেরকালে সে ততই সফলতা লাভ করবে।

চরমোনাইয়ের পীর বলেন, আপনারা বহু দূর থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে এসেছেন; খেয়ে না খেয়ে চরমোনাইর এ ময়দানে অবস্থান করেছেন। আপনাদের আশা এবং কষ্ট তখনই সফলকাম হবে যখন আপনার দৈনন্দিন জীবনের আমলগুলো সুন্দরভাবে পালন হবে।

বয়ানে তিনি বলেন,’দুনিয়া চিরস্থায়ী থাকার জায়গা নয়, তাই কোনো বুদ্ধিমান দুনিয়ার মোহে পড়তে পারে না। দুনিয়া হলো আখেরাত কামাইয়ের জায়গা। এখানে থেকে যে তার পরলৌকিক জীবনকে যতবেশি সুন্দর করার চিন্তায় ব্যপৃত থাকবে সে ততোটাই সফল’।

চরমোনাইয়ের পীর বলেন,’বহুদূর থেকে আপনারা শত কষ্ট করে এসেছেন এবং খেয়ে না খেয়ে তিনদিন এ ময়দানে থেকেছেন। আপনার এ কষ্ট তখনই সফল হবে যখন আপনি এ তিনদিনে করা আমলগুলো ও শ্রবণ করা বয়ানগুলো নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারবেন’।

বয়ান শেষে তিনি অসংখ্য মুসলিম জনতাকে নিয়ে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে তিন দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় আল্লাহর কাছে বিশেষ প্রার্থনা করেন।

মোনাজাতের সময় কীর্তনখোলার নদীর তীর আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। রোনাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে মাহফিলের ময়দান।

অবশেষে তিনি মুনাজাতের মাধ্যমে ৩ দিনব্যাপী ফাল্গুনের এ বার্ষিক মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com