শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের অস্তিত্বের তিন স্তম্ভ-ত্যাগের ইতিহাস ও আগামীর রাষ্ট্রচিন্তা। কালের খবর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু। কালের খবর ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ৫৬ সদস্যের মিডিয়া কমিটি ঘোষণা। কালের খবর সবার আগে বাংলাদেশ : এক নদী রক্ত ও অশ্রুর পরে আগামীর এক পশলা স্বপ্ন। কালের খবর মাটিরাঙ্গার গুমতিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের পিতার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। কালের খবর বেগম খালেদা ছিলেন স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। কালের খবর স্বনির্ভরতার অর্থনীতি : শহীদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ। কালের খবর ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর
৯৯ বছর বয়সে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড

৯৯ বছর বয়সে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড

কালের খবর ডেস্ক  : প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর আত্মবিশ্বাস ৯৯ বছর বয়সেও তাকে দমাতে পারেনি। সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড। বলছি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জর্জ করোনেসের কথা। 

২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাতে দারুণ এক বিশ্বরেকর্ডের সাক্ষী হলো কমনওয়েলথ গেমসের সুইমিং ট্রেইলসে উপস্থিত লোকজন। বয়স ৯৯ হলেও ১০০-১০৪ বছরের সাতারুদের গ্রুপে একমাত্র প্রতিযোগী ছিলেন জর্জ। সেই গ্রুপ থেকে সাঁতারে অংশ নিয়ে মাত্র ৫৬.১২ সেকেন্ড সময়ে ৫০ মিটারের ফ্রি স্টাইল সাঁতার শেষ করেন অস্ট্রেলীয় এই সাঁতারু। সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ড বুকে যুক্ত হয় তার নাম। 

দ্য অস্ট্রেলিয়ান ডলফিনস সুইম টিম তাদের ফেসবুক পেজে লিখেছে, ‘মাত্রই আমরা দারুণ এই ইতিহাস গড়তে দেখলাম।’ 

নবতিপর এই সাঁতারু বিবিসিকে বলেন, ‘এই সাঁতারটা আমার জন্য উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা। সাঁতারের একেবারে শেষের দিকে দেয়ালটায় হাত দিয়ে ধাক্কা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম আমি।’

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন শহরে বসবাসকারী জর্জ শৈশবেই সাঁতার শেখেন। কিন্তু যৌবন পেরিয়ে বার্ধক্যে এসে সাঁতারের সঙ্গে মিতালি হয় তার। ৮০ বছর বয়সে তিনি নিজেকে পুরোদস্তুর সাঁতারু হিসেবে পরিচয় করান। আগামী এপ্রিলে তার ১০০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে।

‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমি সাঁতার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত ভাবতাম, কোনোভাবে আমার আর সাঁতার কাঁটার প্রয়োজন হবে না। এরপর আমি শারীরিক কসরতের জন্য আবার সাঁতার শুরু করি’, বলেন জর্জ।

জীবন সায়াহ্নে এসে সাঁতার কাটা নিয়ে জর্জ বলেন, ‘এই বয়সে এগিয়ে যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য। খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠতে হয়। কিন্তু কোনো কাজ খুব ভালোবেসে করলে তার ফলাফল হয় অভাবনীয়।’ 

জর্জের ভাষ্য, কৌশলী হওয়ার কারণেই সাঁতারে ভালো করতে পারছেন তিনি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com