রবিবার, ১৫ মে ২০২২, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নবীনগরের সলিমগঞ্জ বাজারের সভাপতি এস এম বাদলের বাড়ি থেকে চোরাই মোটরসাইকেল সহ ৪ চোরাকারবারি আটক। কালের খবর ভুয়া ট্রাভেলস এজেন্সির নতুন প্রতারণা। কালের খবর মাদারীপুরের টেকেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় দাদা নাতি নিহত ২, গুরুতর আহত ১। কালের খবর ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে আশুতোষ-দিদার-সরোয়ার। কালের খবর বাস যাত্রীদের প্রাণ বাঁচানো সেই ট্রাফিক পুলিশদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। কালের খবর ড.ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। কালের খবর ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সাধারন মানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ’: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এমপির জানাজা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জের মাধবপুরে তরুণীর স্তন ও হাত কেটে দিয়েছে বখাটেরা। কালের খবর নবীনগরে তিন বছর পর কবর থেকে মুক্তিযোদ্ধার লাশ উত্তোলন। কালের খবর
মরে প্রমাণ করলেন তাকে কবর দেয়ার পরও ১১দিন জীবিত ছিলেন তিনি

মরে প্রমাণ করলেন তাকে কবর দেয়ার পরও ১১দিন জীবিত ছিলেন তিনি

কালের খবর : ব্রাজিলের এক নারী মরে প্রমাণ করলেন তাকে কবর দেয়ার পরও ১১দিন তিনি জীবিত ছিলেন।

রোজংলা আলমেদিয়া দোস সান্তোস নামে ৩৭ বছর বয়সি ওই নারী বাস করতেন রিয়াচও দাস নেভেস কাউন্টিতে। তাকে মৃত ভেবে সমাহিত করার পর ১১ দিন পর্যন্ত তিনি ওই কবরে কফিনের ভেতর জীবিত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত মাসে রোজংলাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন তার পরিবার। সাত দিন চিকিৎসা চলার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। মৃত্যু সনদ অনুযায়ী, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এবং সেপটিক শকে তার মৃত্যু হয়। পরের দিন রোজংলাকে কবর দেয় তার পরিবার।

রোজংলাকে কবর দেওয়ার পর থেকেই কবরস্থানের কাছাকাছি বসবাসকারীরা কবরের ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পান। তবে সবাই প্রথমে বিষয়টিকে এড়িয়ে যান। কারণ তারা ভেবেছিলেন আশপাশে হয়তো বাচ্চারা খেলছে। তাদেরই চিৎকার। তবে যখন প্রত্যেকদিন একই রকম আওয়াজ তারা শুনছিলেন, তখন কিছুটা শঙ্কিত হয়ে রোজংলার পরিবারকে খবর দেন। পরবর্তী সময়ে কবরস্থানে এসে রোজংলার কফিন ভাঙেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। সত্যিই মারা গিয়েছেন তিনি।

কবর থেকে রোজংলার কফিন তোলার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কফিনটি খোলার পর অনেককে বলতে শোনা গেছে, অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা। কেউ একজন রোজাংলার পায়ে হাত দিয়ে বলছেন, শরীর এখনও উষ্ণ আছে। এছাড়া রোজংলার হাতে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। যা তার মৃত্যুর সময় ছিল না। এটা দেখে অনুমান করা হচ্ছে, কফিন থেকে বেরিয়ে আসার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কফিনের পেরেকগুলো উপর দিকে উঠে ছিল। কফিনের ভেতরে রক্ত ও নখ দিয়ে আঁচড়ানোর দাগও ছিল।

রোজংলা সান্তোসের বোন ইসামারা আলমেইদা স্থানীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষৎকারে বলেন, আমরা চিকিৎসকদের দোষ দিতে চাই না, কোনো মামলাও করতে চাই না, কিন্তু আমরা পুরো বিষয়টা দেখেছি, কোনো মানুষকে মাটি দেয়ার ১১ দিন পরও তার দেহ উষ্ণ থাকবে- এটা কোনোভাবেই সম্ভব না।

রোজংলার পরিবারের দাবির সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ প্রধান অরনাল্ডো মন্টে। তিনি বলেন, ঠিক কী ঘটেছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে পুলিশকে যাবতীয় সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে রোজংলাকে মৃত ঘোষণাকারী হাসপাতালের একজন মুখপাত্র।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com