রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বোয়ালমারীতে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির হিড়িক! কালের খবর রাজস্ব আহরনে সবাই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি : প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর খেলাধুলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিতি লাভ করা যায় – স্মৃতি। কালের খবর মুরাদনগরে চলছে ফসলি জমির মাটি কাটার মহা-উৎসব। কালের খবর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুদের কারবারির হাতে ওষুধ ব্যবসায়ী খুন! কালের খবর প্রেসক্লাব বাসুন্দিয়ার (৫ম) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। কালের খবর সাংবাদিক শিমুল হত্যার ৬ বছর : শুরু হয়নি বিচারকার্য। কালের খবর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু। কালের খবর শাহজালালে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এয়ারলাইন্সের চালক আটক। কালের খবর নবীনগরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডি জি এম এর অপসারণের দাবিতে সাংবাদিক সমাজের মানববন্ধন। কালের খবর
১১ সন্তানের জনক সেজে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। কালের খবর

১১ সন্তানের জনক সেজে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। কালের খবর

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি, কালের খবর :

কুড়িগ্রামের উলিপুরে নিজ, স্ত্রী, ছেলে ও দুই শ্যালকের মোবাইল নাম্বার দিয়ে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন এক প্রধান শিক্ষক। উপজেলার ধরণীবাড়ী মাদারটারী পূূূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুবার রহমানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় মোসলেম উদ্দিন নামে সুবিধা বঞ্চিত এক অভিভাবক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুলিপি মহাপরিচালক, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষন ইউনিট, বিভাগীয় উপ-পরিচালক প্রাথমিক বিভাগ, জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা মনিটরিং অফিসার (উপবৃত্তি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টার) ও উলিপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতিকে দেয়া হয়েছে।

ছাত্র অভিভাবক মোসলেম উদ্দিন অভিযোগে উল্লেখ করেন, ১৯৮৬ সাল থেকে উপজেলার মাদারটারী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাহবুবার রহমান প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রধান শিক্ষক ওই বিদ্যালয়ে নিজের পক্ষীয় লোকজন দিয়ে পকেট কমিটি তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি তাদের যোগসাজসে স্লিপ, প্রাক-প্রাথমিক ও রুটিন মেইনটেন্স প্রকল্পের টাকা নয়-ছয় করে আসছেন।

চলতি বছর জানুয়ারিতে সরকার ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তির টাকা বরাদ্দ দিলে প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের বাদ দিয়ে অসাদু ওই প্রধান শিক্ষক নিজে তালিকায় ৫৯ নং শিক্ষার্থীর চাচা ও ৯১, ১২৮, ১২৯, ১৬৯, ১৭৪, ২১৫ নং শিক্ষার্থীর বাবা, তার স্ত্রী সাবিনা বেগম ১০৪,১৬৮,২১২ নং শিক্ষার্থীর মা, তার ছেলে সাদেকুল ১৩০, ১৩২ শিক্ষার্থীর ভাই ও ০৭ নং শিক্ষার্থীর বাবা এছাড়াও প্রধান শিক্ষকের দুই শ্যালক মাইনুল ও মেহেদী ভূয়া ভাই, চাচা ও পিতা সেজে ৪ জনসহ ১৭ শিক্ষার্থীর ৩১ হাজার ৮৫০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়াও অভিযোগে আরও উল্লেখ আছে গত মাসে প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি ২৮ টি করে বিস্কুটের প্যাকেট বরাদ্দ থাকলেও উক্ত প্রধান শিক্ষক ২৩ করে বিস্কুটের প্যাকেট বিতরণ করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মাহাবুবার রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আসলে বিষয়টা সেরকম না সাক্ষাতে বলবে বুঝতে পারবেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাদিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com