শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকরা পারে ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে : তথ্যমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগর আঞ্চলিক কথা গ্রুপের উদ্যোগে দুটি অসহায় পরিবারের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান। কালের খবর সখীপুরে গরুর লাথি খেয়ে আহত ১৩ জন হাসপাতালে। কালের খবর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ট্রাকভর্তি উপহার পাঠিয়ে চমকে দিলেন বাবা। কালের খবর জীবন অগাধ : আলাউদ্দিন খাঁর বড় ছেলে। কালের খবর তিন দিনে ৮ কোটি টাকার টোল আদায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে। কালের খবর শোক সংবাদ : জয়দেব সূত্রধর আর নেই। কালের খবর বোয়ালমারীতে পৌরসভার ৫০০শত ভ্যানচালককে ঈদ উপহার প্রদান। কালের খবর সাংবাদিকদের এ অবস্থা কেন সৃষ্টি হলো। কালের খবর তাড়াশে টুং টাং শব্দে ব্যস্ত সময় পার করছে কামাররা। কালের খবর
সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিচালক মানবতার ফেরীওয়ালা ডাক্তার নূর উদ্দীন রাশেদ। কালের খবর

সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিচালক মানবতার ফেরীওয়ালা ডাক্তার নূর উদ্দীন রাশেদ। কালের খবর

মোঃ আশরাফ উদ্দীন, চট্রগ্রাম, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি, কালের খবর : করোনাকালীন সময়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রায়ই শিরোনাম হতে দেখা গেছে, চিকিৎসক না থাকা, রোগীদের নানান অসুবিধা, এমনকি বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মত ঘটনা। আবার এই দু:সময়ে নিজের জীবন বাজী রেখে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন অনেক চিকিৎসক। তেমনি সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিচালক এক মানবিক ডাক্তার ডা.নূর উদ্দীন রাশেদ।

অন্য সময় সীতাকুণ্ড উপজেলায় অনেক বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে ভীড় থাকলেও করোনা কালীন সময়ে চিকিৎসকের অভাবে সেগুলো বন্ধ থাকে। ফলে সাধারন রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিতে হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সেবা দিয়ে গেছেন বিভিন্ন ডাক্তার। তেমনি এক ব্যতিক্রমী মানবিক চিকিৎসক ডা.নূর উদ্দীন রাশেদ । যিনি করোনা কালীন সময়ে একদিনের জন্যও বন্ধ রাখেননি তার চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম।

তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলার পরিচিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি ডা.নূর উদ্দীন রাশেদ । করোনাকালেও বন্ধ করেননি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম। রোগীদের জন্য সব সময় খোলা রেখেছেন তার প্রতিষ্ঠানের আউটডোর ও ইনডোর সেবা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোগী দেখে চলেছেন নিয়মিত।

সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ প্রতিদিন সুষ্ঠ পরিচালনার মাধ্যমে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মাঝে।

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা এক শিশুর অভিভাবক বলেন, আমার এক বছরের বাচ্চা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে । তাই ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছি। এই সময়ে ডাক্তার না পেলে হয়তো আমার বাচ্চা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ত। সেবা নিতে আসা বিভিন্ন বয়সের রোগীরা বলেন একই কথা।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ কর্মরত কর্মকর্তারা জানায় এই করোণা কালীল সময়ে প্রথমে কাজ করতে আমাদের ভয় লাগত পরে ডা:নূর উদ্দীন রাশেদ স্যার আমাদের কে মানসিক ভাবে সাহস দিয়ে এবং আমাদের সুরক্ষা সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করে। আমরা সবাই নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছি। করোনাকালীন সময়ে স্যরের সাথে কাজ করে নিজেদের গর্বিত মনে করছি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com