শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শিশু তুবা মায়ের বিয়ের খবর দেখে টেলিভিশনে। কালের খবর জুট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। কালের খবর ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারায় গাড়ির চাকা থামে ঘোরে। কালের খবর সাংবাদিক মুজাক্কিরের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আলটিমেটাম। কালের খবর বাড়ছে উৎপাদন চায়ের বাজারে নতুন ‘সাদা সোনা’ ইউপি নির্বাচনে ইমানুজ্জামান পল্লবকে ‘নৌকা প্রতীক দিতে সলিমগঞ্জবাসীর উঠান বৈঠক। কালের খবর পাটুরিয়াঘাটে পরিবহণ ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য। কালের খবর ডেমরা ব্যাটারিচালিত নিষিদ্ধ অটোরিকশা ও ইজিবাইকের দৌড়াত্ম্য স্কুল মাঠ দখল করে ইউপি মেম্বারের বালু ব্যবসা। কালের খবর ইউএনও-র নির্দেশ উপেক্ষা আ’লীগ নেতার ফসলি জমিতে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রি চলছে। কালের খবর
স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরে পেতে যাচ্ছে ডাহুক নদী

স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরে পেতে যাচ্ছে ডাহুক নদী

কালের খবর : প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে ডাহুক নদী। নিজেদের উদ্যোগে ডাহুক নদী খনন করে স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন পাথর ব্যবসায়ীরা।

প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং সামাজিক চাপে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা। এর আগে তারা অবৈধভাবে নদীর গতি প্রবাহকে বন্ধ করে পাথর উত্তোলন করছিলেন।

পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বালাবাড়ি এলাকায় ডাহুক নদীর গতি প্রবাহকে রুদ্ধ করে নদী খনন করে পাথর উত্তোলন করছিলেন প্রভাবশালী কিছু ব্যবসায়ী। প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ীরা অধিকাংশই বর্তমান সরকার দলীয় মতবাদের এবং তৃণমূল বিএনপির সাথে সংশ্লিষ্ট। প্রশাসনের নানা উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বেপোরোয়াভাবে পাথর উত্তোলন করছিল তারা। এতে এই এলাকার অন্যতম প্রধান নদী ডাহুক নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পাথরের খাদের বালি এবং মাটি দিয়ে নদীটি আধা কিলোমিটার ভরাট হয়ে বালির ঢিবিতে পরিণত হয়।

এই নদী ও নদীর আশে পাশে প্রায় ৩০ জন পাথর ব্যবসায়ী ও ৫ থেকে ৭ হাজার শ্রমিক পাথর উত্তোলনের কাজে জড়িত। নদী হত্যার অপরাধে গত ৩১ জানুয়ারি তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানিউল ফেরদৌস মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় গণমাধ্যম কর্মী সহ স্থানীয় গণ্যমান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনি আট ব্যবসায়ীকে ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এর পর ব্যবসায়ীদের নাম পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচাররিত হলে তোলপাড় উঠে পঞ্চগড়ে। একসময় ব্যবসায়ীরা নদীটি খনন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়।

নদীটির আশে পাশের পাথরের খাদের বালি এবং মাটি দিয়ে ভরাট হয়ে যাবার আশংকা শেষ হয়নি এখনো। অনেকে এখনো নদীটিতে বালি ফেলছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানিউল ফেরদৌস জানান, এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। নদীর মৃত্যু আমরা দেখতে চাই না। নদী তার আপন গতিতে চলতে থাকুক।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com