শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই যশোরের অধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় আবারও ধুম পরেছে পাট ধোয়ার। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় মহেশরৌহালী সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে দূরর্নীতির আভিযোগ উঠেছে। কালের খবর গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালালেন যৌণ হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সবুর মাষ্টার। কালের খবর পদ্মা সেতুর প্রভাবে যশোরে বিমান যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ। কালেন খবর জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান, আট শত শিক্ষার্থীর জন্য ৫ শিক্ষক। কালের খবর বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কোন অপশক্তি মুছে ফেলতে পারবেনা : এম এ সালাম। কালের খবর সাভারে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। কালের খবর নেপালের কাঠমান্ডুতে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিলেন সাংবাদিক এম আই ফারুক আহমেদ। কালের খবর দিঘলিয়ার সেনহাটী মহা শ্মশান ঘাট রক্ষায় স্থানীয় এমপি’র পদক্ষেপ। কালের খবর
বোয়ালমারীতে অসহায় বৃদ্ধাকে বসত-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ। কালের খবর

বোয়ালমারীতে অসহায় বৃদ্ধাকে বসত-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ। কালের খবর

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) থেকে এম.এম.জামান, কালের খবর :

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের মোবারকদিয়া গ্রামে এক অসহায় বৃদ্ধাকে তার বসত-বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে একটি অসাধু চক্র। এলক্ষে জালদলিল সহ ভূয়া কাগজপত্রের আশ্রয় নিয়ে ঐ মহলটি বৃদ্ধা তছিরন বেগমকে নানাভাবে হেনস্তা করছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। জানাযায়,মোবারকদিয়া মৌজার( ৭৬৪) নং খতিয়ানের ২২০ নং দাগের ৪৪ শতাংশ জমির এস,এ রেকর্ডের মালিক প্রয়াত রাধারমণ বড়াল। তার একমাত্র পুত্র দীপক কুমার বড়াল.১৯৭৮ সালে জমিটি বিক্রি করেন স্থানীয় সুকুমার দত্ত ও হরিদাস দত্তের নিকট। ১৯৮৬ সালে এই দুই ভাইয়ের কাছ থেকে জায়গাটি ক্রয় করেন বৃদ্ধা তছিরন বেগম। সে সময়ে জায়গাটিতে একটি চারচালা টিনের কাঁচা ঘর তুলে স্বামী দিলাল শেখ ও ৪ কন্যা সন্তান নিয়ে বসবাস শুরু করেন তছিরন বেগম। রোপন করেন নানা জাতের গাছ-পালা। পরবর্তিতে স্বামী মারা যান। কন্যাদের বিবাহ হয়ে যায়। ফলে বিশাল বাড়িটিতে দীর্ঘদিন একাকীই বসবাস করে আসছেন বয়োবৃদ্ধা তছিরন বেগম।
আর এ সুযোগেই মূল্যবান,লোভনীয় জায়গাটির উপর বদ নজর পড়ে প্রতিবেশী সুধীর কুমার বড়াল গং এর। নানান কলা-কৌশলে জমিটি হাতিয়ে নিতে উঠে-পড়ে লাগেন তিনি। প্রথমে রাধারমণের ওয়ারিশ দাবী করে তছিরন কে জমি ছাড়তে বলেন। আদালতে এই দাবী প্রতিষ্ঠায় ব্যার্থ হলে সুধীর জমিটি বিক্রীর প্রস্তাব দেন তছিরন বেগমকে। এতেও কোন সাড়া না পেয়ে ষড়যন্ত্র আটেন সুধীর বড়াল। তছিরন বেগম অভিযোগ করেন,৮৬ সালে তিনি জমির দলিল সম্পাদন করলেও এর এক বছর আগের ব্যাকডেটে একটি জাল দলিল তৈরী করেছেন সুধীর বলে তছিরন জানান. জমিটি বোয়ালমারী উপজেলার অন্তর্গত হলেও মধুখালী উপজেলায় গিয়ে তিনি এ কার্য সম্পাদন করেন। দলিলে জমির দাতা হিসাবে সুকুমার দত্ত ও হরিদাসের নাম উল্লেখ করলেও তাদের জাল সাক্ষর ব্যাবহার করা হয়েছে। অপরদিকে এই দুই ভাইয়ের কাছে যিনি জমি বিক্রি করেন সেই দিপক বড়ালকেই এক সময় রাধারমণের উত্তোরাধিকারী হিসাবে অস্বীকার করেন এই সুধীর। এই জালজালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন অসহায় বয়োবৃদ্ধা তছিরন বেগম। কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন,আমার স্বামী নেই কোন পুত্র সন্তানও নেই। ফলে এই বুড়ো বয়সে আমাকে আদালতের ও মানুষের দ্বারে দ্বারে. দৌড়-ঝাপ করতে হচ্ছে। আমি যে আর পারছিনা বাবা! এব্যাপারে সংশ্লীষ্ট সকল মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেন অসহায় তছিরন বেগম। এলাকার মোঃ জালাল মোল্যা,বাবন মোল্যা,মজিবর রহমান সহ একাধীক প্রবিণ ব্যাক্তি বলেন,সুকুমার দত্ত সুধীর বড়ালের কাছে জমি বিক্রি করেছে তা আমরা কোনদিন শুনিনি। পক্ষান্তরে তছিরন বেগম জমি কেনার পরইতো সেটি ভোগদখল করে আসছেন। তাদের প্রশ্ন-সুধীর বড়াল যদি তছিরনের আগে জমি কিনে থাকেন তাহলে পরে ক্রয় করে
তছিরন কিভাবে সেখানে বসতি স্থাপন করলেন ?

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com