বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
সড়ক ও জনপদের ৩য় শ্রেণির কর্মকর্তার সম্পদের পাহাড়। কালের খবর

সড়ক ও জনপদের ৩য় শ্রেণির কর্মকর্তার সম্পদের পাহাড়। কালের খবর

সড়ক ও জনপদ বিভাগে তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা পদে চাকুরি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার হাজীগোবিন্দপুর গ্রামের ঠনঠনিয়া পাড়ার আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল আজিজ। মাত্র ১৪ বছর চাকুরি করে কিভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সবখানে চলছে আলোচনা। ২০০৯ সালে আগে তার কিছুই ছিল না বলে জানা গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রামের বাড়ি হাজীগোবিন্দপুরে নওগাঁ রাজশাহী মহাসড়কের পাশে তার নিজ এলাকাতে গড়ে তুলেছেন মের্সাস এসকে এলপিজি ফিলিং ষ্টেশন এন্ড কনভারশন সেন্টার, উপজেলার ফেরিঘাট শহীদ কামারুজ্জামান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউটের সামনে কিনেছেন জমিসহ দোকান, রাজশাহী শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের হেতেম খাঁ ঘোষপাড়া মোড়ে পুকুরের পাশে (হোল্ডিং নং ৮০/৪ ) ‘ক্ষণিকের আশ্রয়’ নামে ৫তলা ভবন, তার আনুমানিক মূল্য ছয় থেকে সাত কোটি টাকা, শহরে রয়েছে তার আরো একটি বাড়ি ও রাজশাহী শহরের আরডিএ ভবনের পাশে কিনেছেন কোটি টাকা মূল্যের জমি, গ্রামের ঠনঠনিয়া পাড়াতেও গড়েছেন আরো একটি আলিসান বাড়ি, বিল উতরাইল বিলে বাবার নামে কিনেছে ১০বিঘা জমি। এভাবে নামে বেনামে বিভিন্ন জায়গাতে গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

স্থানীয়রা বলেন, শহরের পাশাপাশি গ্রামে জায়গা জমি অনেক কিনেছেন তিনি। দাদার জমি ৫ বিঘার মতো হলেও তা ছাড়িয়েছে কয়েক গুণ। এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনে মিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছিলেন। তবে তা আর বেশিদূর এগাতে দেয়নি আব্দুল আজিজ।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, আব্দুল জলিলের ছেলে আজিজ সার্ভেয়ার পদে চাকরিতে যোগদান করে শহরে ও গ্রামে অবৈধ ভাবে বিপুল অর্থ সম্পদ অর্জন করেছেন। সড়ক ও জনপদের নওগাঁর সার্ভেয়ার হওয়ার সুবাদে মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা বাড়ির মালিকদের সড়ক ও জনপদের অধিগ্রহণকৃত জমি লিজের কাগজ করে দেন তিনি। দেলুয়াবাড়ি বাজারে দুলাল নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, আব্দুল আজিজ নওগাঁতে সার্ভেয়ার পদে চাকরি করার সুবাদে তার জমির সামনের অংশের জন্য লিজের কাগজ করে দিয়েছে। এভাবে জেলার শত শত ব্যক্তির কাছ থেকে লিজের নামে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে তিনি সওজের উপসহকারি প্রকৌশলী হিসেবে চাঁপাই নবাবগঞ্জে কর্মরত রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সড়ক ও জনপদের এক কর্মচারী বলেন, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী,কৃষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সবার কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি ও কাগজ করে দেওয়ার নামে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। এবিষয়ে সড়ক ও জনপদের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ বলেন, বাড়ি বাদে শহরে তার কোনো কিছু নেই। আরডিএর ভবনের পাশের জমিটি শেয়ারে কিনেছেন তিনি। আর গ্রামের এলপিজি পাম্পটি তার বাবার নামে রয়েছে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com