মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৩২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কে এই জাকির চেয়ারম্যান! এমপি-পুলিশের টাকার রক্ষক এখন ভক্ষক। কালের খবর বগুড়া সরকারি রাস্তা অবৈধভাবে দখল করছেন ভূমিদস্যুরা। কালের খবর নাসিরনগরে জোরপূর্বক মালিকানা জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ। কালের খবর গর্ভধারিণী মাকে খুঁজতে দেওয়ালে দেওয়ালে মায়ের সন্ধান চেয়ে পোস্টারিং। কালের খবর মাদক কারবারে সাংবাদিক, পুলিশ, বিত্তবানরাও জড়িত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কালের খবর চট্রগ্রামের বায়েজিদে ভূমিদস্যুদের হুমকিতে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অসহায় ইকবাল। কালের খবর রাস্তার উপর সাপ্তাহিক হাট, ভোগান্তি চরমে। কালের খবর নোয়াখালী স্কুল ছাত্রী লোমহর্ষক হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর দৃষ্টি প্রতিবন্ধি কুরআনের হাফেজ মাওলানা মোঃ সাজিদুল ইসলাম বাঁচতে চায়। কালের খবর ডেমরায় চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইয়ের ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসি থানা পুলিশ নীরব। কালের খবর
বেতাগীতে প্রধান শিক্ষক মজিবুর স্কুল না গিয়েও সরকারি বেতন ভাতাদি ভোগ করছেন বাড়িতে বসে। কালের খবর

বেতাগীতে প্রধান শিক্ষক মজিবুর স্কুল না গিয়েও সরকারি বেতন ভাতাদি ভোগ করছেন বাড়িতে বসে। কালের খবর

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি, কালের খবর   ঃ

বরগুনার বেতাগী উপজেলার ফুলতলা নুরুন্নেচ্ছা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান স্কুল না গিয়েও সরকারি বেতন ভাতাদি যথারীতি ভোগ করছেন বাড়িতে বসে। চাকুরির চলে যাওয়ার ভয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না তার সহকারি শিক্ষকরা।

সরজমিনে জানা গেছে, গত ৪ঠা এপ্রিল প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান সর্বশেষ বিদ্যালয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর স্কুলে যাননি। স্কুলে না গিয়েও তার ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী সোহরাব হোসেন ও আবদুুল খালেকের মাধ্যমে শিক্ষক হাজিরা বাড়িতে নিয়ে স্বাক্ষর করছেন। এ কাজে সহায়তা করছেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ গোলাম মাসুদ। একইভাবে মাসিক বেতন ভাতাদির সরকারি অংশে বাড়িতে বসে স্বাক্ষর করছেন এবং যথারীতি টাকা উত্তোলন করছেন। প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমানের জাতীয় বেতন কোড-৮ স্কেল ২৩ হাজার টাকা।

সেই হিসেবে স্কুলে না গিয়েও গত ৯ মাসে সরকারি ২ লাখ ৭ হাজার টাকা উত্তোলন করছেন।

একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হওয়ায় ৫ জন শিক্ষক ও ২ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী চাকুরি করছেন। সহকারি শিক্ষক ও কর্মচারিরা চাকুরির ভয়ে মুখ খুলছেন না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সহকারি শিক্ষক ও কর্মচারিদেরকেও প্রধান শিক্ষক ও স্কুলের সভাপতি নানা ধরণের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, স্কুলের অফিস সহকারি নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে, তাই আমার বিপক্ষে যারা আছেন, তারা এটা বানিয়ে বলছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তবে প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমানের স্কুলে অনুপস্থিতের কথা শিকার করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ গোলাম মাসুদ বলেন, প্রধান শিক্ষক কিছুদিন অনুপস্থিত ছিলেন, তবে এখন আর অনুপস্থিত নেই। তার বিপক্ষের লোকজন এগুলো বানিয়ে বলছেন।

এ বিষয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত আলী মোল্লা বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমি মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগ শুনেছি। তবে কেউ লিখিতভাবে অভিযোগ করলে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারব।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজীব আহসান বলেন, অভিযোগ শুনেছি, এ বিষয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com