বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
৯৯ বছর বয়সে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড

৯৯ বছর বয়সে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড

কালের খবর ডেস্ক  : প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর আত্মবিশ্বাস ৯৯ বছর বয়সেও তাকে দমাতে পারেনি। সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড। বলছি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জর্জ করোনেসের কথা। 

২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাতে দারুণ এক বিশ্বরেকর্ডের সাক্ষী হলো কমনওয়েলথ গেমসের সুইমিং ট্রেইলসে উপস্থিত লোকজন। বয়স ৯৯ হলেও ১০০-১০৪ বছরের সাতারুদের গ্রুপে একমাত্র প্রতিযোগী ছিলেন জর্জ। সেই গ্রুপ থেকে সাঁতারে অংশ নিয়ে মাত্র ৫৬.১২ সেকেন্ড সময়ে ৫০ মিটারের ফ্রি স্টাইল সাঁতার শেষ করেন অস্ট্রেলীয় এই সাঁতারু। সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ড বুকে যুক্ত হয় তার নাম। 

দ্য অস্ট্রেলিয়ান ডলফিনস সুইম টিম তাদের ফেসবুক পেজে লিখেছে, ‘মাত্রই আমরা দারুণ এই ইতিহাস গড়তে দেখলাম।’ 

নবতিপর এই সাঁতারু বিবিসিকে বলেন, ‘এই সাঁতারটা আমার জন্য উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা। সাঁতারের একেবারে শেষের দিকে দেয়ালটায় হাত দিয়ে ধাক্কা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম আমি।’

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন শহরে বসবাসকারী জর্জ শৈশবেই সাঁতার শেখেন। কিন্তু যৌবন পেরিয়ে বার্ধক্যে এসে সাঁতারের সঙ্গে মিতালি হয় তার। ৮০ বছর বয়সে তিনি নিজেকে পুরোদস্তুর সাঁতারু হিসেবে পরিচয় করান। আগামী এপ্রিলে তার ১০০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে।

‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমি সাঁতার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত ভাবতাম, কোনোভাবে আমার আর সাঁতার কাঁটার প্রয়োজন হবে না। এরপর আমি শারীরিক কসরতের জন্য আবার সাঁতার শুরু করি’, বলেন জর্জ।

জীবন সায়াহ্নে এসে সাঁতার কাটা নিয়ে জর্জ বলেন, ‘এই বয়সে এগিয়ে যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য। খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠতে হয়। কিন্তু কোনো কাজ খুব ভালোবেসে করলে তার ফলাফল হয় অভাবনীয়।’ 

জর্জের ভাষ্য, কৌশলী হওয়ার কারণেই সাঁতারে ভালো করতে পারছেন তিনি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com