বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
খুচরা জ্বালানি তেলের চারটি পয়েন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেকে কোন ধরনের জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কালের খবর ডেমরায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ। কালের খবর সাজেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিজ উদ্যোগে কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন পাঞ্জাবি । কালের খবর রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার দোয়া মাহফিল ও ইফতার। কালের খবর সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যে জাতীয় জোট এ্যাবজা পুনর্গঠনের উদ্যোগ। কালের খবর পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথিত পাহাড়িদের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পিসিএনপির সংবাদ সম্মেলন। কালের খবর লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার। কালের খবর দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর ৭ মার্চের কারাবাস : একটি রাত, একটি রাষ্ট্র, এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি। কালের খবর ইরান–আমেরিকা সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যের আগুন কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে?। কালের খবর
যশোরে লেপ তোষোক কারিগরদের দম ফেলার সময় নেই 

যশোরে লেপ তোষোক কারিগরদের দম ফেলার সময় নেই 

 আবেদ হোসাইন, যশোর সিটি প্রতিনিধি : ভোরে ঘাসের উপর শিশির বিন্দু জমতে শুরু করেছে। শেষ রাতে কুয়াশার পরশ জানান দিচ্ছে শীতের। শহরের ইট-পাথর আর ধুলোবালিতে সেই আভাস হয়তো অতটাও বোঝা যাচ্ছে না। তবে গ্রামের পথে পা বাড়ালেই পরশ মিলছে শীতের হাওয়ার। রাতে ঘুমানোর সময় কাঁথার কদর বেড়েছে। আর কদিন পরেই কাঁথার সাথে প্রয়োজন হবে লেপ-কম্বলের। এজন্য লেপ-তোষক ও কম্বল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। শীতের এই মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো যশোরের ধোনকাররা লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জানা যায়, যশোর শহরসহ আটটি উপজেলার ধোনকারদের জাজিম, বালিশ, লেপ, তোষক তৈরিতে দম ফেলানোর ফুসরত নেই। দোকান মালিক ও শ্রমিকরা শীতে তাদের তৈরিকৃত সামগ্রী দিয়ে দোকান সাজাতে ব্যস্ত। সেলাইয়ের কাজ ও তুলো ধুনার দিকে নজর রাখছে। তৈরি করছে শীতে আরামদায়ক লেপ-তোষকসহ অন্যান্য সামগ্রী। বেশি শীত পড়ার আগেই ক্রেতারা লেপ তোষকের দোকানগুলোতে আগে থেকে পছন্দমত লেপ-তোষক তৈরির অর্ডার দিচ্ছেন। ধুনকাররা ভালো মুনাফার জন্য ও বেশি বিক্রি করার আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করে দোকানগুলো সাজিয়ে রাখছেন। এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার বেচাবিক্রি কম হওয়ার আশঙ্কা করছে বিক্রেতারা।
যশোর গরীবশাহ্ রোডে মুন বেডিং হাউসের সত্ত্বাধিকারী মোস্তাক আহমেদ বলেন, শীত মৌসুমে লেপ, তোষক, জাজিম, কোল-বালিশ তৈরি শুরু করেছি। ব্যবসা এখনও তেমন জমে উঠেনি। তবে শীত আরো একটু বাড়লে বিক্রি বাড়তে পারে। এছাড়াও করোনাভাইরাসের প্রভাব অর্থনীতির উপর পড়েছে। এজন্য এবারের ব্যবসা অন্য বছরের তুলনায় কম হওয়ার আশঙ্কা আছে।’
যশোরে রেল রোড এলাকার মেসার্স আলিফা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী নোমান বলেন , এবার তুলা ও কাপড়ের মান ভেদে সর্বনিম্ন ৭০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৬০০ টাকা পর্যন্ত লেপের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও লেপের কভারের মধ্যে মার্কিন, মকমল ৩৫০ টাকা ও লং ক্লথ কভার বিক্রি করা হচ্ছে ৪৮০ টাকা দরে।’
ধর্মতলা কারবালা রোডে মনজু বেডিংয়ের কর্মচারী রইচ শেখ বলেন, শীত পড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিন একটা-দুইটা করে ক্রেতা আসছে। অনেক ক্রেতা রেডিমেট লেপ-তোষক কিনে নিয়ে যাচ্ছে।’ এই দোকানে কথা হয় সুজলপুর এলাকার লেপ-তোষক বানাতে আসা সাহাঙ্গীর আলমের সাথে। তিনি বলেন, শীত পড়তে শুরু করেছে। বেশি শীত পড়ার আগেই নতুন লেপ-তোষক তৈরি করে নিচ্ছি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com