বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
৫০টি মৌচাকে মৌমাছির বাসা

৫০টি মৌচাকে মৌমাছির বাসা

কালের খবর : হরিরামপুরের ব্রিজের নিচে ঝুলন্ত মৌচাকের সারি তারই সাক্ষ্য দেয়। মৌমাছিরা যেন মধু আহরণের পর মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের পিপুলিয়া ব্রিজের নিচে অবস্থান নিয়েছে।। ব্রিজটির নিচে প্রায় ৫০টি মৌচাকে মৌমাছি বাসা বেঁধেছে। একসঙ্গে এত মৌচাকের মনোমুগ্ধকর এই পরিবেশ দেখতে প্রায় প্রতিদিনই শত শত মানুষ ব্রিজের কাছে ভিড় করছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক বছর ধরে ব্রিজটিতে মৌমাছি বাসা বাঁধে। বছরের অন্য সময় ২০-২৫টি মৌচাক থাকলেও শীতকালে মৌমাছির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
কারণ শীত মৌসুমে খেতের পর খেতে সরিষা চাষ হয়। ফলে সরিষা মৌসুম আসতেই বাড়তে থাকে মৌমাছির চাক। কিন্তু সেটা যে এত বেশি হবে বোধকরি অনেকের ধারণাতেই আসেনি। একই জায়গায় প্রায় ৫০টি মৌচাক তাই এলাকাবাসীর মনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। সে খবর যখন এলাকা ছাড়িয়ে বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে তখন ঢল নামে মানুষের। এখন তাই প্রতিদিন মৌচাকগুলো দেখতে লোকসমাগম লেগেই থাকে।
স্থানীয়রা বলেন, মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে চাক ঘিরে ঘুরে বেড়ায়। তখন এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে মৌমাছির উড়ে চলার ভোঁ ভোঁ শব্দ।
হরিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, ব্রিজের চারদিকে বিভিন্ন শস্যের খেত থাকায় সারা বছর মৌমাছিদের খাবারে কোনো সমস্যা হয় না। তাই মৌমাছির পরিমাণও বেশি থাকে।
জায়গাটি মৌমাছির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হওয়ায় সারা বছরই এখানে মৌমাছিরা মৌচাক গড়ে। শীত মৌসুমে চাকের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এবারই প্রথম মৌচাকের পরিমাণ অধিক হয়েছে।
স্থানীয়রা মৌমাছিদের ঘাঁটায় না বলে তাদের আক্রমণের শিকারও হয় না কেউ। তাই অনেক মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে মৌমাছির চাক দেখার জন্য আসেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com