বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
লবণের দানার চেয়ে ছোট কম্পিউটার

লবণের দানার চেয়ে ছোট কম্পিউটার

কালের খবর ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার তৈরি করার দাবী করল আইবিএম। কম্পিউটারটি উৎপাদনে ০.১০ ডলারেরও কম খরচ হবে। দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রে এগুলো যুক্ত করা হবে।
সোমবার আইবিএম থিঙ্ক ২০১৮ সম্মেলনের প্রথম দিন নতুন কম্পিউটারটি জনসমক্ষে নিয়ে আসবে তারা। এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি লবণের দানার চেয়ে ছোট কম্পিউটার।
কিন্তু, আকারের তুলনায় এর কর্মক্ষমতা অনেক বেশি। ১৯৯০ সালের এক্স৮৬ চিপের সমান কাজ করতে পারে আইবিএমের নতুন ক্ষুদে কম্পিউটারটি।
এটি দিয়ে, ‘তথ্য পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, আদান-প্রদান ও সেটি নিয়ে কাজ করা যাবে।’
নিচের ছবির বাম দিকে ৬৪ মাদারবোর্ডসহ দুটি ছোট কম্পিউটার দেখা যাচ্ছে। ডান দিকে ছোট্ট কম্পিউটারটি একটি চিমটি লবণের মধ্যে থাকা একটি দানার উপর রাখা হয়েছে।

যারা বিটকয়েন মাইনিং ও আদান-প্রদান করেন তাদের ভীষণ কাজে লাগবে এই কম্পিউটারগুলো। ব্লকচেইন পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ ও সেটি নিয়ে কাজ করতে গেলে যে পরিমাণ তথ্য আদান-প্রদান করতে হয় তার জন্য শক্তিশালী কম্পিউটার প্রয়োজন। এগুলো চালাতেও প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। কিন্তু নতুন ক্ষুদে কম্পিউটারগুলো দিয়ে প্রচুর পরিমাণ তথ্য দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করা যাবে।
রোবট বা কৃত্রিম বুদ্ধিমান প্রোগ্রামে তথ্য বাছাই করার কাজও করা যাবে এই কম্পিউটার দিয়ে।

আইবিএমের মতে এটা কেবল শুরু। আইবিএমের গবেষণা বিভাগের প্রধান অরবিন্দ কৃষ্ণ বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মধ্যে কালির ফোঁটা বা লবণের দানার চেয়ে ছোট এসব কম্পিউটার দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসের সংযোজন করা হবে।’
নতুন ধরনের কম্পিউটারগুলো কখন বাজারে ছাড়া হবে তা নিশ্চিত করেনি আইবিএম। প্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা এর প্রোটোটাইপ বা প্রথম নমুনাগুলো নিয়ে গবেষণা করছেন।
কিন্তু একটা জিনিস নিশ্চিত, আমরা কল্পবিজ্ঞানের যুগ পৌঁছে গেছি। আপনি দেখতে না পেলে মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করুন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com