শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় পাঁচ শতাধিক জাপা-এনসিপি নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান। কালের খবর বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপোষ করেননি : ওয়াদুদ ভুইয়া। কালের খবর চট্টগ্রাম–১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু। কালের খবর বাঙালি ছাড়া সিএইচটি রক্ষা করা অসম্ভব ছিল : ড. আমিনুল করিম। কালের খবর মাটির মায়ায় বাঁধা এক অদম্য ঠিকানা : বেগম খালেদা জিয়ার সেই অমর উচ্চারণের ব্যবচ্ছেদ। কালের খবর খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল। কালের খবর রায়পুরার গুচ্ছগ্রামে যৌন ও মাদক ব্যবসার মহাৎসব : সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে সন্ত্রাসী দিয়ে হুমকি-এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ। কালের খবর বৈশাখী টিভি’র রায়পুরা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম। কালের খবর
কালের কণ্ঠ ও ডেইলি সানের চাকরিচ্যুত ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের বকেয়া পাওনা আদায়ে জন্য সংগ্রাম কমিটি গঠন। কালের খবর

কালের কণ্ঠ ও ডেইলি সানের চাকরিচ্যুত ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের বকেয়া পাওনা আদায়ে জন্য সংগ্রাম কমিটি গঠন। কালের খবর

 

বিশেষ প্রতিনিধি, কালের খবর : 

রমনা পার্কে কালের কণ্ঠের সাবেক কর্মী কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে শতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতিতে গত শুক্রবার (১ মার্চ) একটি বৈঠক হয়। সেখানে সবার সম্মতিতে ৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে ডেইলি সানের সাবেক কর্মী আলিমুজ্জামানকে আহ্বায়ক এবং কালের কণ্ঠের সাবেক কর্মী মাহবুবুর রহমানকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।

এতে বলা হয়, শতাধিক সাংবাদিকের পাওনা (সার্ভিস বেনিফিট) বুঝিয়ে দিতে বসুন্ধরা গ্রুপ টালবাহানা শুরু করায় প্রতিষ্ঠান দুটির মিডিয়াকর্মীরা সংগ্রাম কমিটি গঠন করেছেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আক্তার হোসেন (ডেইলি সান), ইকরামুল হক টিপু (কালের কণ্ঠ), ওদারুল হক হীরা (ডেইলি সান), রফিকুল ইসলাম খান (কালের কণ্ঠ), রঞ্জন নন্দী (কালের কণ্ঠ), জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ (ডেইলি সান) ও আমিনুল ইসলাম খোকন (কালের কণ্ঠ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে বৈঠকে বসুন্ধরা গ্রুপের তরফ থেকে চাকরিচ্যুত ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত শতাধিক সাংবাদিকের হাতে দশটি করে চেক দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে টাকা (ফান্ড) না থাকায় এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়। তারা মনে করেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের এটা বড় ধরনের প্রতারণা।

ওই সাংবাদিকদের অভিযোগ, চেকের প্রথম তারিখ ছিল চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় তারিখ ছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। অ্যাকাউন্টে টাকা (ফান্ড) না থাকায় কেউই টাকা তুলতে পারেননি। এ ব্যাপারে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা নানা ছলচাতুরি করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বসুন্ধরা মিডিয়াকর্মীদের পাওনা আদায়ের সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক আলিমুজ্জামান বলেন, ‘পাওনা আদায়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com