শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ : আহ্বায়ক শাহিন সদস্য সচিব তুষার। কালের খবর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন সেনাবাহিনীর। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর
জনবল সংকটে বন কর্মকর্তার কার্যালয়, বন্যপ্রাণী উদ্ধার ব্যাহত হচ্ছে

জনবল সংকটে বন কর্মকর্তার কার্যালয়, বন্যপ্রাণী উদ্ধার ব্যাহত হচ্ছে

কালের খবর ডেস্ক :

(১ জন বাগান মালি, ১ জন নৈশ প্রহরী ও ১ জন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মাত্র ৩ জন লোকবল দিয়েই চলছে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, উদ্ধার ও উদ্ধার পরবর্তী সেবা কাজসহ এই সংস্লিষ্ট বহুমাত্রিক কাজ করে থাকেন বন অধিদপ্তরে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ ও মৌলভিবাজার জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলায় পর্যাপ্ত জনবল থাকলেও কিন্তু হবিগঞ্জ জেলার কার্যালয়টিতে প্রচন্ড লোকবল সংকটে রয়েছে ।

মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা, একজন বাগান মালি ও একজন নৈশপ্রহরী নিয়ে বেহালদশায় চলছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষন মত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মযজ্ঞ।

লোকবল সংকটের কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করলেন ওই কার্যালয়ের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী।তিনি আরো জানান, বন্যপ্রাণী উদ্ধার অভিযানের সরকারি খরচ বা বাজেটও মিলছে না।

তিনি বলেন, হবিগঞ্জসহ আরো ৫ জেলার বন্যপ্রানী উদ্ধার সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড করে থাকি। একজন মালিক ও একজন নৈশপ্রহরী ছাড়া অফিসের আর কোন স্টাফ নেই। তারপরেও জানপ্রাণ দিয়ে বিশাল এলাকার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

কার্যালয়টির অফিসসুত্রে জানা যায়,হবিগঞ্জ জেলাসহ সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও নেত্রকোনা জেলার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও উদ্ধারসহ যাবতীয় কাজ ওই বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় করে থাকেন। এদের কার্য এলাকার মধ্যেই রয়েছে লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, রেমা-কালেঙ্গা, হাকালুকি হাওর, বাইক্কাবিলসহ অসংখ্য হাওর-বাওর ও অভয়ারণ্যের মতো মত গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণীদের বিচরণ ক্ষেত্র।

অভিযোগ রয়েছে, হবিগঞ্জ জেলার জাতীয় তথ্য বাতায়নেও এই অফিসের কোন নাম ও তথ্য অন্তর্ভুক্ত নেই।এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা আইসিটি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান বন অফিস থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নি কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, সীমিত লোকবল দিয়েও আমরা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি বন্যপ্রাণীর সেবামান সুনিশ্চিত করতে। তবে হবিগঞ্জের ওই অফিসের লোকবল সংকট নিরসনে আমরা অধিদপ্তরের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ কররো ইনশাল্লাহ।

বন্যপ্রাণী স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির যুগ্ম আহবায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যালয়ে তিনজন লোকবল দিয়ে ৬ জেলার বন্যপ্রাণী উদ্ধারে হিমশিম খেতে হচ্ছে এদের।

ফলে অত্র এলাকায় বন্যপ্রাণীর উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেব। লোকবল সংকটের সমস্যা সমাধান না হলে সকলকে নিয়ে মানববন্ধনও করতেও রাজি আছি ।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com