শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী : দেশ–বিদেশে দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য জাতির ঐক্য। কালের খবর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের জোরালো আহ্বান : জাহিদুল করিম কচি ও মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। কালের খবর মানচিত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া : একটি আপসহীন উপাখ্যান ও কোটি জনতার প্রার্থনা। কালের খবর ডেমরার সাইনবোর্ডে মসজিদে রাসুল (সা:) জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ৬৬নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর নবীনগরে ওসি শাহিনুর ইসলামের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। কালের খবর “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত। কালের খবর বার বার সংবাদ প্রকাশের পরও কর্মহীন কর্মচারীর বদলীতে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা নেই। মাটিরাঙ্গায় সেনা অভিযানে ইউপিডিএফের সহকারী কালেক্টর গ্রেফতার। কালের খবর বিএফইউজে’র কাউন্সিল ২০২৫: সাংবাদিকতার উপর চাপ বন্ধ না হলে গণতন্ত্র সংকটে—বিএনপি, জামায়াত ও পেশাজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি। কালের খবর লোগাং জোন কর্তৃক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচী ও আর্থিক অনুদান প্রধান। কালের খবর
কুষ্টিয়া লালন আখড়াবাড়ি ঘিরে পর্যটকদের জন্য নেই কোনো থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা। কালের খবর

কুষ্টিয়া লালন আখড়াবাড়ি ঘিরে পর্যটকদের জন্য নেই কোনো থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা। কালের খবর

 

মোঃ ইসমাইল হুসাইন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি, কালের খবর : কুষ্টিয়া লালন আখড়াবাড়ি ঘিরে পর্যটকদের
জন্য নেই থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌর শহর কুষ্টিয়া। সরকারি বেসরকারি হিসেব মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার মানুষের থাকার মতো আবাসিক হোটেল সুবিধা আছে এই শহরে।
শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন নাম ও মানের রেস্তোরা আছে, পাওয়া যায় দেশি বিদেশি বিভিন্ন খাবার।
কিন্তু এইসব সুবিধা নেই কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া গ্রামের লালন শাহ আখড়াবাড়ির আশেপাশে, লালনের আখড়াবাড়ি বা মাজারে সব সময়ই যাতায়াত করেন সাধু ভক্ত, লালন অনুসারী ও দেশ-বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীরা।
অল্প কয়েকদিন পরেই ফকির লালন শাহের ১৩৩ তম তিরোধান দিবস। এই দিবসে লালন শাহের আখড়া বাড়িতে জমে সাধু ভক্তের মিলন মেলা, সেই সাথে দেশ-বিদেশ থেকে ভিড়তে শুরু করে পর্যটকেরা।
থাকার যায়গার অভাব, অপরিচ্ছন্ন উৎসব প্রাঙ্গণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও গোসলের অব্যবস্থাপনায় নাজেহাল হতে হয় আগত সকল শ্রেণীর মানুষের। আগামী ১৭,১৮,১৯ অক্টোবর, ১,২,৩ কার্তিক ১৩৩ তম তিরোধান দিবস পালিত হবে লালন আখড়াবাড়িতে । লালন শরন উৎসব ও তিরোধান দিবসে জমে লাখো মানুষের ভিড়।
বছরে দুবার বড় আয়োজন ছাড়া অন্যান্য সময়ও দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে আগত পর্যটকেরা থাকা খাওয়া করেন শহরের হোটেল রেস্তোরাঁ গুলোতে।
সরকারি বেসরকারিভাবে থাকা খাওয়ার তেমন কোন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি ফকির লালনশাহের আখড়াবাড়ি ঘিরে।
আগত দর্শনার্থীরা তাদের অসুবিধার কথা তুলে ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই দুর্ভোগ নিরসনের জন্য এগিয়ে আসতে বলেন।
সিলেট থেকে আগত দর্শনার্থী আরিফ মাহমুদ বলেন, লালন শাহের মাজার দেখার উদ্দেশ্যে আমি সিলেট থেকে এসেছি, কিন্তু মাজারের আশেপাশে বা কাছে কোন হোটেল বা রেস্টুরেন্ট নেই, শহরের মধ্যে একটা আবাসিক হোটেলে উঠেছি, লালন মাজার থেকে অনেক দূরে হয়ে যায় এবং খাবার জন্য শহরে যেতে হয়, আবার সন্ধ্যার আগে হোটেলে ফিরতে হয়।আমাদের মতো পর্যটকদের জন্য এটা খুবই ঝামেলার, মাজার সংলগ্ন বা আশেপাশে হোটেল থাকলে আমাদের জন্য খুবই মজার হত।
তিনি আরো বলেন সামনে মাসে ইংল্যান্ড থেকে আমার চাচাতো ভাই দেশে আসবেন, উনি লালন শাহের মাজার দেখতে আসবেন, উনাদের থাকার মতো ভালো মানের হোটেল বা কটেজ এখানে নেই, আমি মনে করি এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া উচিত।
এই ব্যাপারে লালন শাহের এডহক কমিটির সদস্য সেলিম হকের সাথে কথা হলে তিনি জানান এখানে একটা ভালো মানের রেস্টহাউজ খুব জরুরী, কিন্তু বর্তমানে একাডেমির ফান্ড নাই, একটা ভালো মানের রেস্টহাউজ করার জন্য লালন অনুষ্ঠানের সময় এমপি, মন্ত্রীদের আমরা একাধিকবার জানিয়েছি, তারা আশ্বাস দিলেও এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com