সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পদ্মা সেতু দেখতে গেছেন স্বামী, বউ-শাশুড়িকে প্রেমিকের সঙ্গে ধরলেন জনতা। কালের খবর প্রায় ৩ বছর পর মোরেলগঞ্জে উপজেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কালের খবর আখাউড়ায় আইনমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল। কালের খবর বোয়ালমারীতে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত আনিসুজ্জামানের মতবিনিময়। কালের খবর বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ আ.লীগের বিরুদ্ধে। কালের খবর নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সবুজকে অপসারণ : ভারপ্রাপ্ত শাওন স্বপন কুমার সাহা সভাপতি ও স্বপন সূত্রধর সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত। কালের খবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ভেঙে গেল, তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী লাপিদ। কালের খবর দৈনিক কালবেলার সম্পাদক হলেন আবেদ খান তাড়াশ উপজেলায় ঐতিহ্যবাহি প্রাচীনতম নওগাঁর পশুর হাট জম জমাট ভাবে জমে উঠেছে। কালের খবর
রায়পুরে পান চাষে উজ্জ্বল সম্ভাবনা, বছরে ৬০ কোটি টাকা লেনদেন

রায়পুরে পান চাষে উজ্জ্বল সম্ভাবনা, বছরে ৬০ কোটি টাকা লেনদেন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, কালের খবর :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় বছরে পানের প্রায় ৬০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ পান জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ হলে খুলে দিতে পারে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার। প্রতি শনি, রবিবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার লক্ষ্মীপুরের সবচেয়ে বড় পান বাজার বসে হায়দরগঞ্জ, ক্যাম্পেরহাট ও রায়পুর বাজার এলাকায়। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা আগের রাত থেকে হায়দরগঞ্জ, ক্যাম্পেরহাট ও রায়পুর বাজারে আসতে থাকেন। বাজারের দিন ব্যবসায়ীরা চাহিদামত পান সংগ্রহ করেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরে ৪৮০ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। উৎপাদন খরচ হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। বর্তমান বাজারে ভালোমানের প্রতি বিড়া পান বিক্রি হয় ২২০-২৫০ টাকায়। এ হিসেবে রায়পুরে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার পান উৎপাদন হয়। তবে বেসরকারী হিসেবে পানের উৎপাদন হয় প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ কোটি টাকার।

উপজেলার উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল, উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে পানের আবাদ বেশি হয়।
‘পানপল্লী’ খ্যাত ক্যাম্পেরহাট এলাকার পান চাষীরা জানান, বৈশাখ থেকে অগ্রহায়ন মাস পর্যন্ত পানের উৎপাদন ভালো হয়। এ সময় উৎপাদিত পানের সাইজও বড় হয়। অতি শীত, ঘন কুয়াশা ও ক্ষেতে পানি জমে থাকলে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়। একটি বরজ ১০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে মাঝে মধ্যে সংস্কার করতে হয়। এছাড়াও বর্তমানে সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় পানের বরজের আবাদ কমে আসছে। শুষ্ক মৌসুমে বৃষ্টি না থাকায় পানি সেচ দিয়েও পান গাছ রক্ষা করা যায় না।
উপজেলার হায়দরগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাকায়েত উল্যাহ্ বলেন, পান এ অঞ্চলের মানুষের অর্থকারী ফসল। বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ করলে এসব এলাকার মানুষের ভাগ্যে বদলে যাবে। বিভিন্ন ব্যাংক পান চাষের উপর কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দিলে এ অঞ্চলের মানুষ পান চাষে আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

কালের খবর /১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com