রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ বিরুদ্ধে কাজ না করেই সরকারি বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ!। কালের খবর স্ত্রীর যৌতুক মামলায়,ব্যাংক কর্মকর্তা রাশেদের শেষ রক্ষা মিলেনি বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার। কালের খবর নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে কমিটি গঠন, সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক রুবেল। কালের খবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনিয়মের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত। কালের খবর ঘিওরে কৃষকদের মানববন্ধনে নিয়মিত বর্ষা ও জলবায়ু সুবিচারের জোরালো দাবি। কালের খবর বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই চট্টগ্রামের অভূতপূর্ব উন্নয়ন : খোরশেদ আলম সুজন। কালের খবর “ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব এন্ড হিউম্যান রাইটস” এর কেন্দ্রীয় কমিটির চূড়ান্ত প্রার্থিতা গ্রহণ। কালের খবর জগন্নাথপুরে প্রাথমিক শিক্ষক মদপান করে সাজা ভোগ করায় এলাকায় ক্ষোভ। কালের খবর ময়মনসিংহ বিআরটিএ টাকা ছাড়া কাজ করেন না সহকারী পরিচালক এস এম ওয়াজেদ, সেবাগ্রহীতারা অসন্তোষ। কালের খবর হাইকোর্টের রায় : মোটরযানে বিজ্ঞাপনের জন্য ফি নিতে পারবে না বিআরটিএ। কালের খবর
বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য। কালের খবর

বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য। কালের খবর

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি, কালের খবর :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সীতাকুণ্ডে অংশে বার আউলিয়া থানা হাইওয়ে পুলিশ দিন দিন চাঁদাবাজীতে বেপরোয়া হয়ে উঠার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় মহাসড়কে চলাচলকারী নিরীহ মানুষকেআ মারধর,গাড়ী ধরে জোর পূর্বক অসহায়দের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া নিত্য দিনের ব্যাপার বলে অভিযোগ উঠে।

জানা যায় বার আওলিয়া হাইওয়ে থামার হাসনাত নামক এক পুলিশ কর্মকর্তা এক নিরীহ রিক্সা চালকের ও সি,এন,জি চালকদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণে টাকা নেয়।

অথচ দেশসহ সারা বিশ্ব যেখানে মহামারি করোনা ভাইরাস আক্রান্তে আতংকিত,সেখানে বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। গত বৃহস্পতিবার অভিযানের নামে নিরীহ মানুষের কাছ থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
গাড়ী ধরে টাকার বিনিময়ে অই গাড়ী আবার ছেড়ে দিচ্ছি।এভাবে প্রতিনিয়ত মানুষের কাছ থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

আবু তাহের নামে এক রিক্সা চালক বলেন, আমি ভাটিয়ারি গ্রামের একটি সড়কে রিক্সা চালানো অবস্থায় সাদা পোশাকে পুলিশ এসে আমাকে গালাগালি দিয়ে মারধর শুরু করে আমার গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়।পরে আমি অভাবের মধ্যে ৩ হাজার ৭শত টাকা দিয়ে গাড়ী নিয়ে আসি।

এসব বিষয়ে জানতে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি কে ফোন করলে তিনি বার বার ফোন কেটে দেন,পরে অনেক বার চেষ্টা করার পর তিনি বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা।এছাড়া তিনি বলেন আপনাদের যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।যার কাছে খুশি তার কাছে যাইতে বলেন।এসব
বিষয়ে জোর বটতল হাইওয়ে পুলিশ পাড়ির কর্মকর্তা হাসনাতের কাছে কথা বলতে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে উনার রুম থেকে বের করে দেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com