বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শাহজাদপুরে গাছে যুবকের ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার। কালের খবর যশোরে ভূগর্ভস্তরে শুষ্ক মৌসুমের আগেই পানির সংকট। কালের খবর সখীপুরে মাদরাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু। কালের খবর তাড়াশে আ’লীগ নেতার চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল করায় ছাত্রলীগনেতা বহিস্কার। কালের খবর দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি – ইউএনও । কালের খবর চট্রগ্রামে বন্ধুর মোটরসাইকেল জিম্মি করে ১লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি: গ্রেপ্তার ২। কালের খবর বোয়ালমারীতে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির হিড়িক! কালের খবর রাজস্ব আহরনে সবাই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি : প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর খেলাধুলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিতি লাভ করা যায় – স্মৃতি। কালের খবর মুরাদনগরে চলছে ফসলি জমির মাটি কাটার মহা-উৎসব। কালের খবর
নবীনগরে মহেশরোড এখন প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীর দখলে। কালের খবর

নবীনগরে মহেশরোড এখন প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীর দখলে। কালের খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের ৬ ইউনিয়ন বাসীর জেলা সদরে যাতায়াতের এক মাত্র রাস্তা হল মহেশ রোড। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীরা হোন্ডা, সি এন জি, অটোরিকশায় যাতায়েত করে।

বিগত কয়েকদিন ধরে কয়েকজন প্রভাবশালী অসাধু ব্যবসায়ী যানবাহন চলাচলের রাস্তায় বালু রেখে ব্যবসা করায় যানবাহন চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়া সহ প্রতিদিন ঘটেছে দূর্ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামের মোবারক মিয়া, একই গ্রামের মজিদ মিয়া ও রসুলপুর গ্রামের শাহজালাল, সদর উপজেলার ছয়বাড়িয়া গ্রামের জনি মিয়া সহ আরো অনেকে অনেকদিন ধরে ব্যবসা করে যাচ্ছে।তারা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

এবিষয়ে, সিএনজি ড্রাইভারদের সাথে কথা বললে তারা জানান,প্রতি বছর বর্ষা আসলেই প্রভাবশালী মহলটি রাস্তায় বালু রেখে ব্যবসা করে এতে করে গাড়ী চলাচল করতে অসুবিধা হয়।

অনেক সময় দুটি গাড়ি ক্রসিং করতে না পারায় যানযট লেগে থাকে।প্রচন্ড বাতাশে বালু উড়ে যাত্রীদের চোঁখে মুখে পড়ে, এমন কি প্রতিদিন দূর্ঘটনার শিকারও স্বীকার হতে হয়।

রাস্তায় অবৈধভাবে বালু রেখে জনসাধারণের দূর্ভোগ সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে, নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর ছেলে ঠিকাদার এরশাদ বলেন, প্রভাবশালী অসাধু ব্যবসায়ীরা রাস্তায় বালু রেখে ব্যবসা করায় আমি তাদের একাধীকবার বাঁধা দেওয়ার পরও তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে, আমি প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করছি প্রশাসন যেন তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে।

বালু ব্যবসায়ী জনি মিয়ার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন এবং বাকি ব্যবসায়ীদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে একাধীক বার ফোন করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com